।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

বিশ্বজুড়ে মাংকিপক্সে শনাক্তের হার বাড়ছেই। নতুন করে শনাক্তের বেশিরভাগই ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, মাংকিপক্সের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকায়। তবে মাংকিপক্স নিয়ে বিভ্রান্ত তথ্য না ছড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

সংস্থাটির মহাপরিচালক জানান, এ পর্যন্ত বিশ্বের ৭৮টি দেশে মাংকিপক্সে শনাক্তের হার ১৮ হাজারের বেশি। এর ৭০ শতাংশ ইউরোপীয় অঞ্চল এবং ২৫ শতাংশ এসেছে আমেরিকা থেকে।

টেড্রোস আডানম গেব্রিয়াসিস বলেন, ৯৮ শতাংশ রিপোর্ট পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌন সম্পর্কতার ঘটনা রয়েছে। এ রোগে সমকামী পুরুষদের তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। যদি যৌনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা আরেকটু সংযমী ও সচেতন হই, সেক্ষেত্রে এই রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোভিড ১৯ সম্পর্ক অনেক ভুল তথ্য দেখেছিলাম। এখন মাংকিপক্স সংক্রান্ত অনেক ধরনের খবর দ্রুত অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এর ক্ষতিকারক তথ্য প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় আমাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, প্রযুক্তি সংস্থা এবং সংবাদ সংবাদমাধ্যমগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি’।

বিরল সংক্রমণ রোগ মাংকিপক্স বিশ্বজুড়ে দ্রুত শনাক্ত বাড়তে থাকায় গত শনিবার একে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দরিদ্র অঞ্চলগুলোর মানুষকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদেক্ষপ গ্রহণে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, মাংকিপক্স একটি বিরল ভাইরাল সংক্রমণ। যা সাধারণত মৃদু হয়। বেশিরভাগ আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে যান। ভাইরাসটি খুব সহজে মানুষের মধ্যে ছড়ায় না এবং ব্যাপক হারে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি খুব কম।

সূত্র: এনডিটিভি