।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

 ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে সোমবার (২৫ জুলাই) শুরু হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২১-২২ সেশনের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। এতে তিন ইউনিটে কোটা ছাড়া মোট চার হাজার পাঁচটি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে এক লাখ ৭৮ হাজার ২৬৮টি। এ হিসেবে প্রতি আসনে লড়াই করবেন ৪৪ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় তিন ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে মোট এক লাখ ৭৮ হাজার ২৬৮টি। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ৬৭ হাজার ২৩৭টি, ‘বি’ ইউনিটে ৩৮ হাজার ৬২১টি এবং ‘সি’ ইউনিটে ৭২ হাজার ৪১০টি চূড়ান্ত আবেদন জমা পড়ে। এবার একক আবেদনকারীর সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৪২৯ জন। প্রতিদিন চার শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম শিফটে সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত, দ্বিতীয় শিফটে বেলা ১১টা থেকে ১২টা, তৃতীয় শিফটে দুপুর ১টা থেকে ২টা এবং সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চতুর্থ শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভর্তিচ্ছুরা ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আবাসিক হল, ভবন ও মসজিদে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ভিড় করছেন। ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ফটোকপি, জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি ও টিকার সনদ হল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়ে প্রবেশ করছেন ভর্তিচ্ছুরা। এতে হলের ডাইনিং, ক্যান্টিন ও ক্যাম্পাসের স্থায়ী-অস্থায়ী খাবারের দোকানগুলোতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ক্রেতার আনাগোনা বেড়েছে।

লালমনিরহাট থেকে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছেন মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হলে আমার জেলার এক বড় ভাই হলে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি চলে যাব। এখন ঘুরে ক্যাম্পাস দেখছি। পাশাপাশি আমার পরীক্ষার কেন্দ্রটাও চিনে আসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের সঙ্গে ছবি তুলছেন নীলিমা রায়। সুদূর চট্টগ্রাম থেকে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা এ শিক্ষার্থী বলেন, বাবাসহ আজ সকালে ক্যাম্পাসে এসে পৌঁছালাম। এর আগে কখনো রাজশাহীতে আসা হয় নি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস অনেক সুন্দর ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। তাই মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করে রাখছি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ প্রশাসন এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা সর্বদা তৎপর রয়েছেন। কোনো ধরনের জালিয়াতি চক্র যাতে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি।