।। নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ।।

হঠাৎ করেই যেন ফিরে এসেছে পুরনো দিন। দুঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে, তো পরের ঘণ্টায় নেই। দেশের উত্তরবঙ্গ শনিবার (২ জুলাই) রাত থেকে হঠাৎ করেই পরেছে এমন লোডশেডিংয়ের ধাক্কায়। নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লােই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ার কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা লোডশেডিংয়ের আশ্রয় নিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের দুই বিভাগের ১৬ জেলার সবকটিতেই এমন পরিস্থিতি।

নেসকো রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী শাহাদৎ হোসেন সরকার উত্তরকালকে জানান, উৎপাদন খানিকটা কম হবার কারণে জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ পাচ্ছেন তারা। তিনি আরও জানান, রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় চাহিদার ‍তুলনায় ৩০০ থেকে ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম সরবরাহ মিলেছে।

নেসকোর রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবদুর রশিদ জানান, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় শনিবার সন্ধ্যায় চাহিদা ছিলো ৪২১ মেগাওয়াট। সেখানে নেসকো সরবরাহ পেয়েছে ৩৭৮ মেগাওয়াট। ৪৩ মেগাওয়াট ঘাটতি পূরণ করতে লোডশিডিং দিতে হয়েছে। রোববার দুপুরে ঘাটতি ছিলো প্রায় ১০২ মেগাওয়াট। একই রাতে শুধু রাজশাহী মহানগরীতে ঘাটতি ছিলো প্রায় ২৪ মেগাওয়াট।

কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে- সে ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি নেসকোর দুই প্রধান প্রকৌশলীর একজনও। রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী বলেন, “এ ব্যাপারে ফোরকাস্ট (পূর্বাভাস) করার মতো কোনো তথ্যই হাতে নেই আমাদের।”

রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী বলেন, “পিডিবির (বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড) সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। তবে কবে নাগাদ হতে পারে সে ব্যাপারে কোনো ধারণা নেই।”