।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার, টাকার হিসাবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭.২৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১০ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল শতকরা ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ টাকা বা ২৮২৪ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা বা ২৫৯১ মার্কিন ডলার।

প্রাপ্যতার সাপেক্ষে ৬/৭ মাসের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপির সাময়িক হিসাব প্রস্তুত করা হয়েছে। 

২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির সাময়িক হিসাবের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

কৃষিখাত: সার্বিক বিবেচনায় কৃষি খাতের ২০২১-২২ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে শতকরা ২ দশমিক ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর মধ্যে শস্য উপখাতে শতকরা ১ দশমিক ৬ শতাংশ, পশুপালন উপখাতে শতকরা ৩ দশমিক ১০ শতাংশ, বন উপখাতে শতকরা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মৎস্য খাতে শতকরা ২ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।

শিল্পখাত: ২০২১-২২ অর্থবছরে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের প্রবৃদ্ধি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১২.৩১ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। এছাড়া বছর সাময়িক হিসাবে বিদ্যুৎ খাতে ৭.২৪ শতাংশ এবং নির্মাণ খাতে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে শিল্প খাতে বিগত বছরের (২০২০-২১) তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০.৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।

সেবাখাত: ২০২১-২২ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে পাইকারী ও খুচরা ব্যবসা খাতে ৮.৭২ শতাংশ, যানবাহন খাতে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ, ব্যাংক ও বিমা খাতে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, শিক্ষাখাতে ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ ও স্বাস্থ্যখাতে ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে সেবাখাতে বিগত বছরের (২০২০-২১) তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।