।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে রোববার রাত থেকে টানা বৃষ্টি হচ্ছে।

রাত থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।

এদিকে বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় অশনির সৃষ্টি হওয়ায় পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকার কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে মাঠে থাকা বোরো ধান দ্রুত কেটে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

এছাড়াও পটুয়াখালীতে মুগডালের মৌসুম চলমান থাকায় ডাল তুলে ঘরে তোলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় অশনি সোমবার (৯ মে) সকাল ০৬ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৮৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

এদিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২১৭ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।