আমাকে যেদিন হত্যা করা হয় সেদিনই আমাকে কবরস্থ করা হয়। যে হত্যা হয় সে দুবার কষ্ট পায়। একবার হত্যা হবার সময় আর একবার লাশকাটা ঘরে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তা হয়নি। হত্যাকারীই এ উপকারটুকু করে। সে পুলিশকে টাকা দিয়ে আমার পোস্টমর্টেম না করে, পুলিশি কেস করতে না দিয়ে আমাকে বাঁচিয়ে দেয় দ্বিতীয়বারের কাটা ছেঁড়া থেকে। নিজেকে বাঁচিয়ে নেয় জেলের ভাত-পানি থেকে। সে তাকে বঞ্চিত করে ফাঁসির দড়ি থেকে।

আমার আত্মীয়গণের চোখের ভেতর থেকে জল গড়িয়ে পড়েছিল কিন্তু যেহেতু মৃত মানুষের, জীবিত মানুষের চোখের জল মোছানোর নিয়ম নাই সেহেতু আমি তাদের চোখের জল মুছে দিইনি।

আমাকে কবরে দেয়া হয়েছে। আমি দারুণ ব্যথা-বিষ-যন্ত্রণা নিয়ে কবরে শুয়ে থাকি। মৃত মানুষ নড়াচড়া করে না, এমন নয়। তারা আসলে লজ্জায় নড়াচড়া করে না। কত ইচ্ছা করে তাদের পাশ ফিরতে কিন্তু তারা স্থির শুয়েই থাকে। আবার কেউ কেউ নড়াচড়া করেও কিন্তু মানুষের চোখ সেসব নড়াচড়া দেখতে পায় না। যতটুকু সে নড়ে সে সময় ঠিক ততটুকু মানুষের চোখও নড়ে যায় ফলে মানুষের চোখে নড়াচড়া করা মড়াও স্থিরই থেকে যায়। আমি জীবিত মানুষের লজ্জায় কবরের বাইরে যখন ছিলাম তখন নড়াচড়া করিনি।

এখন যেহেতু কবরে আছি আর এখানে কেউ নেই সেহেতু আমি পাশ ফেরানোর চেষ্টা করি এবং পাশ ফেরানোর সময় বুঝতে পারি শরীরে হত্যাকারীর আঘাত এখনো পুরোদমেই কাজ করছে। আমি ব্যথায় কঁকিয়ে উঠি। এরপর আর পাশ ফেরানোর চেষ্টা করি না। চুপচাপ শুয়ে থাকি। একসময় দুজন ফেরেশতা আসে আমার কাছে। তারা আমাকে জাগিয়ে তোলে। তারা শল্যবিদ ফেরেশতা। আমার শরীরে শল্যচিকিৎসা করে তারা। চিকিৎসা শেষে শল্যফেরেশতারা চলে যায়। আমার শরীরে আর কোনো ব্যথা নেই।

আমি শুয়ে থাকি। এবার আরো একজন ফেরেশতা আসে। আমাকে বসিয়ে দিয়ে আমার মুখোমুখি বসে সে। আমার সঙ্গে গল্প করা শুরু করে। সে আমাকে ভীষণ পছন্দ করে ফেলে এবং বলে—‘চলো আমরা পৃথিবী থেকে ঘুরে আসি।’ আমি বলি—‘কিন্তু আমি তো মারা গেছি, আমাকে তো হত্যা করা হয়েছে। আমি আবার কীভাবে মর্ত্যলোকে যাব?’ সে বলল—‘আরে বাদ দাও তো, চলো আমরা ঘুরে আসি।’ আমি আর কথা না বলে তার সাথে পৃথিবীতে ঘুরতে বের হই।

তারপর থেকে মাঝে মাঝে আমরা ঘুরে বেড়ায় পৃথিবীতে। জীবিত মানুষদের সাথে বসে থাকি। টেবিলে বসে চা খাই, চানাচুর খাই, ভাজা খাই মনের সুখে। দেখি, আমাকে কেউ চিনতে পারছে না। আমি অবাক হই এবং একটা আয়না দেখার ইচ্ছা জাগে। আমি ফেরেশতাকে বলি—‘আমি একটু আয়নাতে আমার মুখ দেখতে চাই।’ ফেরেশতা একটু মুচকি হাসে। আমি তার হাসি দেখে বুঝতে পারি, সে বুঝে ফেলেছে আমি কেন আয়নাতে আমার মুখ দেখতে চাচ্ছি।

ফেরেশতা আমাকে একটা নাপিতের দোকানে নিয়ে যায়। এই নাপিতের দোকানে আমি জীবিত থাকার সময় বহুবার চুল দাড়ি কাটিয়েছি। দেখি সেও চিনতে পারছে না। একজন অপরিচিত গ্রাহককে যেমন জিজ্ঞাসা করে তেমনই জিজ্ঞাসা করে আমাকে—‘চুল কাটাবেন নাকি?’ আমি মাথা ঝাঁকিয়ে না করি, কারণ কবরেই নাপিত ফেরেশতারা চুল কেটে দেয়, কারো দাড়ি কাটার দরকার হলে দাড়ি কেটে দেয়।

আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই। দেখি আয়নাতে আমার ছায়া পড়ছে না। আমি বিস্মিত। আমি ফেরেশতার দিকে তাকাই। সে একটু মুচকি হাসে। আমার পাশে নাপিত দাঁড়িয়ে তার ছায়া দেখতে পাচ্ছি আয়নাতে। আমি নাপিতের ওখান থেকে বেরিয়ে আসি আর ফেরেশতাকে প্রশ্ন করি—‘আমরা কি অশরীরী হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি?’ সে বলে—‘না। যদি অশরীরীই হবে তাহলে তোমাকে নাপিত কীভাবে বলল চুল কাটার কথা?’ আমি তার কাছে আবার জানতে চাই—‘তাহলে আমাকে কেউ চিনতে পারছে না কেন, আমার কি চেহারা পাল্টে দেওয়া হয়েছে?’ ফেরেশতা বলে—‘না, তোমার চেহারা পাল্টে দেওয়া হয়নি। পৃথিবীর সমস্ত আয়না থেকে, মানুষের ভেতর থেকে তোমার স্মৃতি উবিয়ে দেওয়া হয়েছে। তুমি কবরে ফিরে গেলেই তোমার কথা তাদের মনে পড়বে এবং এখন তুমি যে ঘুরে বেড়ালে তার স্মৃতি উবিয়ে দেওয়া হবে।’ আমি তাকে বলি—‘আমার চেহারা পাল্টে দিলেই তো, অন্য মানুষের জন্য যা করা হয়েছে তা করার দরকার পড়ত না।’ সে বলে—‘অন্য মানুষের যা করা হয়েছে আর তোমার জন্য যা করা হতো বলে মনে করছ তার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নিশ্চয় আছে। তুমি তোমার মতোই চেহারা আর অনুভূতিতে থেকে পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ পাচ্ছ। তোমাকে অন্য কোনো চেহারা দিলে তোমার অনুভূতিও বদলে যেত; তুমি মরণের আগে যে চেহারা আর অনুভূতি নিয়ে ছিলে তা অনুভব করতে পারতে না। ফলে আমরা যা করেছি তা তোমার মরণের আগের বেঁচে থাকার স্বাদ ফিরিয়ে দেবার জন্যই করেছি।

ফেরেশতা আর আমি এমনই একদিন বসেছিলাম খোলা একটা চায়ের দোকানে। এসময় আমার হত্যাকারীও বসেছিল সেখানে। লোকটা উঠে যাবার পর আমি ফেরেশতাকে বললাম—‘এই লোকটিই ছিল আমার হত্যাকারী।’ ফেরেশতা মুচকি হেসে বলল—‘সত্য কথা, সে তোমার হত্যাকারী কিন্তু তোমার শরীর হলো সবচেয়ে বেশি হত্যাকারী তোমার।’ আমি প্রচুর বিস্মিত হই এবং তাকে জিজ্ঞাসা করি—‘কীভাবে?’ এই প্রশ্ন হবার পর ফেরেশতাটি চোখ বন্ধ করে আর প্রার্থনা করে বলে—‘হে ঈশ্বর আমাকে এই লোকটির ব্যাপারে যেসব সুনির্দিষ্ট তথ্য জানি সেগুলো ভুলিয়ে দাও এবং একজন মানুষের মতো কিছুক্ষণের জন্য মগজ দাও যাতে আমি তাকেই তার উত্তরটি বের করার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারি।’ এগুলো বলার পর সে চোখ খুলে আর হাসি মুখে বলে—‘আমার কথা শোনো আর তোমার ভেতর তুমি উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা কর।’

এবার সে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মতো করে বলতে থাকে—‘ভেবে দেখ, সে তোমার হত্যাকারী কেন হলো? কোনো না কোনোভাবে তুমি তাকে প্ররোচিত করেছ তোমাকে হত্যা করার জন্য। হতে পারে, তোমার প্রচুর টাকা ছিল। কিন্তু তার প্রচুর টাকা ছিল না। তোমার টাকা দখল করার জন্য তোমাকে খুন করেছে।’

‘অথবা তার প্রচুর টাকা ছিল কিন্তু তোমার ছিল না। সে হয়ত ভেবেছিল, তুমি তাকে খুন করতে পারো টাকার জন্য ফলে সে তোমাকে আগেই খুন করে ফেলেছে।

‘অথবা তারও প্রচুর টাকা ছিল এবং তোমারও প্রচুর টাকা ছিল। ফলে একজন টাকাওয়ালাকে সরিয়ে দিলে শুধু একজন টাকাওয়ালা থাকবে। এই ভাবনা থেকে তোমাকে খুন করতে পারে।’

‘হতে পারে তোমার কোনো ক্ষমতা ছিল না কিন্তু তার অগাধ ক্ষমতা ছিল। সুতরাং তোমাকে খেলাচ্ছলেই খুন করে ফেলেছে ক্ষমতার স্বাদ পেতে। ক্ষমতা তো তাই, যাতে করে অন্যায় করেও কোনো কিছুই হয় না, প্রতিকারের মুখোমুখি হতে হয় না।’

‘অথবা তোমারই অনেক ক্ষমতা ছিল কিন্তু তার কোনো ক্ষমতা ছিল না। ফলে ক্ষমতাকে সরিয়ে ক্ষমতা দখলের জন্য তোমাকে হত্যা করতে হয়েছে তাকে। ক্ষমতাবানকে খুন করেই তো ক্ষমতাবান হতে হয়।’

‘অথবা তোমাদের দুজনেরই কোনো ক্ষমতা ছিল না কিন্তু ক্ষমতার দরকার হয়ে পড়েছে বলে মনে করেছিলে দুজনেই। অনেকগুলো ক্ষমতাহীনকে কচুকাটা করলে তবে ক্ষমতাবান হতে পারে কেউ। সেই ‘অনেকগুলো’ ক্ষমতাহীনের মধ্যে একজন ছিলে মাত্র। হতে পারে, তুমিও তাকে খুন করতে পারতে বলে আগেই খুন করে ফেলেছে সে।’

‘হতে পারে তোমার বউটা সুন্দরী ছিল যাকে সে দখলে নিয়েছিল গোপনে বা দখলে নেবার জন্য তোমাকে হত্যা করেছে।’

‘অথবা তার বউটা সুন্দরী ছিল যাকে তুমি গোপনে দখল করে নিয়েছিলে বা করার চেষ্টা করছিলে আর সে তা জানতে পেরেছিল।’

‘হতে পারে, তুমি তার উন্নতিতে কোনো বাধা দিয়েছ অথবা সে ভেবেছিল তুমি তার উন্নতিতে বাধা হতে পার।’

‘হতে পারে, তার মনে হয়েছিল, তুমি অনেক সুখে ছিলে কিন্তু সে নিজেকে সুখি মনে করতে পারেনি অথবা সেও সুখিই ছিল কিন্তু তোমার সুখ তাকে দুখি করে তোলে।’

‘হতে পারে, তার টাকা তুমি চুরি করেছিলে অথবা সে ভেবেছিল তুমি তার টাকা বা কোনো কিছু একটা চুরি করেছ বা করবে। অথবা তোমার টাকা বা কোনো কিছু সে চুরি করেছিল আর তুমি জানতে পেরেছিলে অথবা সে মনে করেছিল তুমি হয়তো জেনে গেছ।’

‘হতে পারে, সে অন্য একজনকে হত্যা করতে চেয়েছিল কিন্তু তোমাকে তার মতো মনে হওয়ায় তোমাকেই হত্যা করেছে।’

‘হতে পারে, তোমার হাতে বড় ছুরি বা পিস্তল বা লাঠি ছিল যা দিয়ে তুমি কোনো গরু, ছাগল বা কুকুরকে হত্যা করতে যাচ্ছিলে আর তোমার হত্যাকারী মনে করেছিল, তুমি তাকে হত্যা করতে আসছ, তাই সেই তোমাকে আগেই আঘাত করে ফেলেছে আর তুমি মারা গেছ।’

‘হতে পারে, তুমি তাকে হত্যা করতে যাচ্ছিলে আর সে তা বুঝতে পেরে তোমার সাথে লড়াইতে লিপ্ত হয়েছিল আর তোমাকে হত্যা করেছিল।’

‘হতে পারে, সে দাঁড়িয়ে ছিল পথের ধারে কাউকে মেরে তার সর্বস্ব কেড়ে নেবার জন্য, তোমাকেই যে সে হত্যা করতো এমন নয় কিন্তু সে সময়ে তুমিই সেখান দিয়ে যাচ্ছিলে।’

‘আর এমন ধরনের আরো কারণ তুমি ভেবে দেখতে পার।’

‘আর দেখ, তোমার শরীর তোমাকেই হত্যা করার জন্য কতটা উন্মুখ ছিল। হয়ত, সে তোমাকে হত্যা করতে চায়নি শুধু আঘাত করতে চেয়েছিল কিন্তু তোমার শরীর সেই আঘাতকেই মৃত্যু আঘাতে পরিণত করল তোমার বিরুদ্ধে।’

‘হতে পারে, তোমাকে সে হত্যা করতেই চেয়েছিল আর তার জন্য তোমাকে পিস্তল দিয়ে গুলি করেছিল বা তোমার বুকের ভেতর ছোরা মেরে দিয়েছিল বা লাঠির প্রচণ্ড আঘাত দিয়েছিল। তোমার শরীর যদি তোমারই হবে তবে পিস্তলের গুলিকে ঢুকতে দিল কেন বা ছুরিকে বা লাঠির আঘাতকে।’

‘অথবা দেখ, কত চমৎকারভাবে পিস্তলের গুলিকে বা ছুরিকে বা লাঠিকে গ্রহণ করে নিল তোমার দেহ যেন কোনো এক যোনি গ্রহণ করছে কোনো এক শিশ্নকে গভীর আনন্দ আবেগে।’

‘হতে পারে, তোমরা প্রথমেই লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছিলে আর তোমার শরীর তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তার শক্তির কাছে হেরে গেল অথবা তোমার শরীরে শক্তি কম ছিল তার চেয়ে, তোমার শরীরে কেন শক্তি কেন কম ছিল?’

‘দেখ, তোমার শরীরে ছুরির ফলা ঢোকামাত্র তোমার রক্তগুলো তোমার শরীর থেকে বেরিয়ে ছুটে পালাতে লাগল তোমাকে ছেড়ে যেন তারা বন্দি ছিল এবং এখন তারা মুক্তির আনন্দে দুর্বার গতি পেয়েছে। তোমার রক্ত বেরিয়ে গেল কেন? তারা নিশ্চয় বেরিয়ে যাবার জন্য উন্মুখ ছিল।’

‘আর তোমার প্রাণ দেখ তোমার কেউ হলো না, রক্তগুলো বের হয়ে যাওয়া মাত্র, হৃৎপিণ্ডটা আঘাত পাওয়া মাত্র, তোমাকে ছেড়ে তোমার প্রাণ চলে গেল পৃথিবী ছেড়ে। তোমাকে ছেড়ে তোমার প্রাণ উন্মুখ ছিল বেরিয়ে যাবার জন্য।’

‘এবং এভাবে আরো ভেবে দেখ কত কারণ প্রস্তুত হয়ে আছে খুন হবার জন্য বা খুন করার জন্য।’

আমি তার কথা বিস্মিত হয়ে শুনলাম এতক্ষণ। সে এবার আমার আর আমার হত্যাকারী ছেড়ে অন্যদিকের আলোচনাও করল।

‘দেখ, ট্রাক-বাসগুলো প্রাণ ফাটানো শব্দ করে এগিয়ে যাচ্ছে আর কতগুলো লোক হৃদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে মরে গেল। এটাতো হত্যা সুতরাং দুঃখ কর না, সেও হত্যা হয়েছে তোমার মতোই।’

‘এই যে দেখ, যান আর কারখানার চুল্লির ধোঁয়া কীভাবে বিষিয়ে দিচ্ছে বাতাস আর লোকজনের ফুসফুস ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ভেঙে পড়ছে। এটা তো হত্যা হলো মানুষ। সুতরাং তুমি দুঃখ করো না তারাও হত্যা হয়েছে।’

‘দেখ, মানুষ খাবারে ভেজাল দিচ্ছে আর মানুষ কীভাবে হত্যা হয়ে যাচ্ছে, সুতরাং দুঃখ করো না।’

‘আর দেখ, খাবার আর ওষুধের খরচের চেয়ে কীভাবে হাজার গুণে বেড়ে গেছে রাষ্ট্রগুলোর যুদ্ধাস্ত্রের খরচ, সুতরাং দুঃখ করো না। মানুষের কাজই হত্যা হওয়া নয়তো হত্যা করা। হত্যা করা নিজেকে আর অপরকে।’

আমি তার দিকে বিস্মিত বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকি, কিছু বলতে পারি না। সে বলল—‘পৃথিবী তো এক বিশাল হত্যাখানা। তবে তুমি যেকোনো সন্তানের জন্ম দিয়ে এই হত্যাখানাতে নিয়ে আসনি সেটা একটা ভালো করেছ, জেনে শুনে কাউকে কোনো হত্যাখানাতে নিয়ে আসাও একধরনের অপরাধ করা, হত্যার মতো অপরাধ করা।’

কিছুদিন পর সেই ফেরেশতার সাথে আবার পৃথিবী ভ্রমণে বের হয়েছি আর আমাদের সেই ছোট বাজারটির দিকে যাচ্ছি, পথিমধ্যে দেখলাম আমার হত্যাকারী লোকটি হত্যা হয়ে পড়ে আছে।

অলংকরণ শিবলী নোমান