।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

করোনার অতি সংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণের নিম্নমুখিতা অব্যাহত রয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের তুলনায় শনাক্ত রোগী সংখ্যা বেড়েছে, যদিও তা হাজারের নিচেই রয়েছে।

আর এ নিয়ে গত দুদিন ধরেই নতুন শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা কমে হাজারের নিচে থাকছে। সঙ্গে শনাক্তের হার আরও কমেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা) করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮৬৪ জন। এ সময়ে মারা গেছেন ৯ জন।

এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি এর চেয়ে বেশি (৮৯২ জন) শনাক্ত হবার কথা জানায় অধিদফতর। এরপর থেকে রোগীর সংখ্যা হাজারের নিচে নামেনি।

স্বাস্থ্য অধিদফতর গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) ৭৫৯ জন শনাক্ত হবার কথা জানিয়েছিল। আর শনাক্তের হার ছিল চার দশমিক ১৫ শতাংশ।

অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ৮৬৪ জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে করোনা আক্রান্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৮০ জন। আর ৯ জনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেলেন ২৯ হাজার ৩৩ জন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ২৬৪ জন। তাদের নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৮ লাখ ছয় হাজার ৬৮৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২১ হাজার ৫০৮টি আর পরীক্ষা হয়েছে ২১ হাজার ৫৪৩টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ৭৩৪টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮৯ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৮টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ লাখ ২৭ হাজার ১২৬টি।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার চার দশমিক এক শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে পুরুষ ছয় জন আর নারী তিন জন। তাদের নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৮ হাজার ৫৩৯ জন আর নারী ১০ হাজার ৩৩ জন।

অধিদফতর জানাচ্ছে, ৯ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সে মারা গেছেন ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে পাঁচজন। বাকিদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছর, ৪১ থেকে ৫০ বছর, ৭১ থেকে ৮০ বছর আর ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে আছেন একজন করে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে; পাঁচজন। বাকিদের মধ্যে রাজশাহী বিভাগের আছেন তিনজন আর খুলনা বিভাগের আছেন একজন।

৯ জনের মধ্যে সাতজন মারা গেছেন সরকারি হাসপাতালে। বাকি দুজনের মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে।