।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

ওমিক্রন তাণ্ডবের পর সংক্রমণের ধীরগতিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত রোগী, পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ও মৃত্যু—সবই কমেছে। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় (১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১৪ ফেব্রয়ারি সকাল ৮টা) করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন চার হাজার ৬৯২ জন। গতকাল (১৩ ফেব্রুয়ারি) অধিদফতর চার হাজার ৮৩৮ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৯ জন, গতকাল ২৮ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। আর এ সময়ে করোনার নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ, গতকাল শনাক্ত ১৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ ছিল বলে জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, নতুন শনাক্ত হওয়া চার হাজার ৬৯২ জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট শনাক্ত হলেন ১৯ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৬ জন এবং মারা যাওয়া ১৯ জনকে নিয়ে মোট মারা গেলেন ২৮ হাজার ৮৩৮ জন।

করোনা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ২৩৭ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে ১৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৯২ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন বলেও জানাচ্ছে অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৪৯টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৮৯টি। দেশে এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি ৩০ লাখ ২৯ হাজার ৭৮৭টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ৩৫৯টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৮টি।

দেশে এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৯ জনের মধ্যে পুরুষ ১২ জন এবং নারী সাত জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৮ হাজার ৪১৪ জন এবং নারী ১০ হাজার ৪২৪ জন।

অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া ১৯ জনের মধ্যে ৭১ থেকে ৮০ বছরের আছেন সাত জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের পাঁচ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের আছেন চার জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছর, ৫১ থেকে ৬০ বছর ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে আছেন একজন করে। 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, যে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই আছেন ১০ জন। বাকিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের তিন জন, ময়মনসিংহ বিভাগের দুই জন আর খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগের আছেন একজন করে।

মারা যাওয়া ১৯ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৫ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে চার জন।