।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা, নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার এবং মৃত্যু সবই কমেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা) করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আট হাজার ৩৪৫ জন। গতকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) তার আগের ২৪ ঘণ্টায় আট হাজার ৩৫৯ জন শনাক্ত হয়েছিল বলে জানিয়েছিল অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৯ জন। গতকাল ৩৬ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ। গতকাল যা ছিল ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, শনাক্ত হওয়া আট হাজার ৩৪৫ জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে মোট শনাক্ত হলেন ১৮ লাখ ৬১ হাজার ৫৩২ জন আর মারা যাওয়া ২৯ জনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৮ হাজার ৫৮৯ জন।

করোনাতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন আট হাজার ১৫৯ জন। তাদের নিয়ে দেশে ১৬ লাখ দুই হাজার ৫৫০ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন বলেও জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩৮ হাজার ২৪৭টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮ হাজার ৮২১টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ২৭ লাখ ২৬ হাজার ৪০৯টি।

এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৭টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৪১ লাখ ২১ হাজার ৩৪২টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৯ জনের মধ্যে পুরুষ ১৫ জন আর নারী ১৪ জন।

তাদের নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেছেন ১৮ হাজার ২৫০ জন আর নারী মারা গেছেন ১০ হাজার ৩৩৯ জন।

মারা যাওয়া ২৯ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে; ১৪ জন। বাকিদের মধ্যে ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৭১ থেকে ৮০ আর ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন তিনজন করে, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন দুইজন আর ৩১ থেকে ৪০ ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন একজন করে।

অধিদফতর জানাচ্ছে, যে ২৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ছিলেন ১৪ জন। বাকিদের মধ্যে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের মারা গেছেন চারজন করে, রংপুর বিভাগের তিনজন, ময়মনসিংহ বিভাগের দুইজন আর রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের আছেন একজন করে।

মারা যাওয়া ২৯ জনের মধ্যে ২২ জনেরই মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। বাকি সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে।