।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৫ হাজার ৯২২ জন। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৬ লাখ ২২ হাজার ৪৪ জনে।

একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২২ হাজার ৪৬১ জন। এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি ৪৮ লাখ ৮ হাজার ১৯৩ জনে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, সারাবিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬ লাখ ২২ হাজার ৫০ জনে। আর করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫ কোটি ৪৮ লাখ আট হাজার ১৭১ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এসময়ে দেশটিতে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে চার লাখ ৬৩ হাজার ৬৭৪ জন। আর এক হাজার ১৯৩ জন মারা গেছেন।

বিশ্বে মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশটিতে এখন পর্যন্ত সাত কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ২১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছেন আট লাখ ৯১ হাজার ৫৯৫ জন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৫৫ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫ হাজার ১০৯ জন।

এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৩০০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৭৬৭ জনের।

দৈনিক সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের পরেই রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন এক লাখ ৮ হাজার ৪৮১ জন। আর মারা গেছেন ৩৯৩ জন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৬৮ লাখ ৯১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আর এক লাখ ২৯ হাজার ২২ জন মারা গেছেন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২৩ হাজার ৪১২ জনের।

সংক্রমণের তালিকায় এরপরেই রয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, তুরস্ক, ইতালি, স্পেন ও জার্মানি।

এদিকে, বাংলাদেশেও ওমিক্রনের প্রভাবে ফের সংক্রমণ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১৪ হাজার ৮২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছ। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।