grand river view

।। নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ।।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার কয়েক মিনিট আগে সেই বৈঠকে কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস আলীকে সদম্ভে নিজের বিপুল আয়ের বিবরণ দিতে শোনা যায়। অডিওতে তার নিজের মুখে দেয়া হিসাব অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের এই নেতা আনুষাঙ্গিক সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন বালুর ঘাট থেকে ৩ থেকে ৪ লাখ আর খড়খড়ি হাট থেকে দিনপ্রতি এক থেকে দেড় লাখ টাকা আয় করেন। সেই হিসাবে আলোচিত এই জনপ্রতিনিধি এই দুই খাত থেকেই মাসে অন্তত দেড় কোটি টাকা কামাই করেন।

অডিওক্লিপে আব্বাস আলী আপাতত আর্থিকভাবে একটু চাপে আছেন উল্লেখ করে জানান, তিনি যে বাড়ি তৈরি করছেন তা করতে গিয়ে অনেক অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তার ভাষায়, “বাড়ি করতে গিয়ে মাটির তলেই তো এক কোটি টাকা চলে গেছে। একটা মানুষের কত টাকাই বা আর লিকুইড মানি থাকে?”

এসময় তার আশেপাশে থাকা লোকজনকে মোসাহেবি ঢঙে তার তারিফ করতে শোনা যায়। বলতে শোনা যায়, রাজশাহীর মধ্যে তার বাড়িটা সবচেয়ে ভালো করতে হবে।

এরপরই আব্বাস হিসাব দিতে গিয়ে জানান, গতবার বালুর ঘাট ৬ কোটি টাকায় ইজারা নিয়েছিলেন তারা ৪ জন মিলে। সেখানে তার মোট আয় হয়েছিলো ১৯ থেকে ২০ কোটি টাকা। এবার ১০ কোটি টাকায় নিয়েছেন। সেখানে তার অংশীদারত্ব ৩০ শতাংশ। সে অনুযায়ী তিনি প্রতিদিন ঘাট থেকে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা আয় করেন। অন্যদিকে খড়খড়ি হাট তিনি বাৎসরিক ৪০ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন বলেও জানান। তিনি বলেন, “ওই হাট আগে মাত্র ৩০ হাজার টাকায় ইজারা দেয়া হতো”। সেখান থেকে দিনে তিনি এক লাখ টাকার কিছু বেশি আয় করেন। তবে এখন প্রতিকূল মৌসুমে আয় কিছুটা কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই এক দুই মাস পর বেলঘড়িয়া রোডে আমার যে মার্কেট আছে, তার কাজ কমপ্লিট হয়ে গেলে আবার সব ঠিক হয়ে যাবে।”

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.