grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জীবন ও স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ইতোমধ্যে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে পাশ হয়েছে।

তবে পুরো প্রক্রিয়াটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। জীবন বীমার আওতায় থাকা কোনো শিক্ষার্থী মারা গেলে তার পরিবার সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পাবে। 

এছাড়া স্বাস্থ্যবীমার আওতায় কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বীমা সুবিধা পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০৭ তম সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন পেয়েছে শিক্ষার্থীদের বীমা পরিকল্পনা। উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি বীমা সম্পর্কিত নীতিমালা নির্ধারণ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

কমিটির সদস্যরা জানান, বছরে ২৭০ টাকার কিছু কমবেশি প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হতে পারে শিক্ষার্থী প্রতি। বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এককালীন এই প্রিমিয়াম জমা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে। এর বিনিময়ে জীবন বীমার আওতায় থাকা কোনো শিক্ষার্থী মারা গেলে তার পরিবার সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পাবে। আর স্বাস্থ্যবীমার আওতায় কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বীমা সুবিধা পাবেন। আবার বীমার আওতায় থাকা অসুস্থ হওয়া কোনো শিক্ষার্থী যদি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চিকিৎসা নেয় সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বীমা সুবিধা পাবেন। 

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বড় সুখবর। আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জঠিল রোগসহ নানা সময়ে অসুস্থ হলে একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন। আমরা তাদের জন্য যতদ্রুত সময়ে সম্ভব বীমার টাকা বুঝিয়ে দিতে কাজ করছি। যদি সেটা সাতদিনেরও কম সময়ে সম্ভব হয়, আমরা তা করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি আর বলেন, শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা ও সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে প্রিমিয়াম ও বীমার পরিমাণ বাড়ানো-কমানো হতে পারে। বীমা সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যক্রম চালাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা একটি দপ্তর চালু করার পরিকল্পনা করছে প্রশাসন। এজন্য টেন্ডারের ভিত্তিতে কোনো একটি বীমা কোম্পানিকে কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্ব দেওয়া হবে।