grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

কানাডায় ফের ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছেন লিবারেল পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডো।

বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার লড়াই জিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বলে আভাস দিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেশটিতে ইমেইল ব্যালট গণনা শুরু হবে।

এর আগে সোমবার (২০ আগস্ট) রাতে সিবিসি নিউজ জানায়, কানাডার ৪৪তম সাধারণ নির্বাচনে বেশিরভাগ আসনেই জয় পেয়েছে লিবারেল পার্টির প্রার্থীরা। তবে একক সরকার গঠনের জন্য দলটির ১৭০ আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে। সংসদের ৩৩৮টি আসনে ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ৭০ লাখ।

সিবিসির হিসাব অনুযায়ী ১৫২টি আসনে লিবারেল প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন কিংবা এগিয়ে আছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বর্তমান সরকারে ট্রুডোর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। ফলে সরকার পরিচালনা করতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভর করতে হয় তাকে। তবে জনমত জরিপে লিবারেল পার্টি এগিয়ে থাকলেও বিরোধী নেতা এরিন ও’টুলের কনজারভেটিভ পার্টির কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন তিনি।

গত মাসে নির্বাচনের আগে পরিচালিত এক মতামত জরিপের ফলাফলে ট্রুডোকে এগিয়ে রাখা হয়।

তবে আগাম নির্বাচন দেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় লিবারেল সরকারের বিষয়ে ভোটারদের মতামত জানতে এই নির্বাচন। এটা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে নির্বাচনে তার দলের পক্ষে বড় ব্যবধান তৈরি করতে না পারাটা অস্বস্তিকর হতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার সবার জন্য করোনা টিকা নিশ্চিত করতে জোর প্রচারণা চালায়। তবে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা এরিন ও’টুল দ্রুত করোনার পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দেন।

রোববার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে অন্টারিওর নায়াগ্রা ফলস এলাকায় সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বচ্ছ ও দৃঢ় নেতৃত্ব প্রয়োজন, আর আমরা সেটাই করছি।

২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেন ট্রুডো। সেসময় তিনি জো ক্লার্কের পর কানাডার দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড গড়েন। তিনি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর সন্তান।