।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি ক্রমেই ভারতের উড়িষ্যা উপকূলের দিকে সরছে। এটি আরও কিছুটা উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। বাংলাদেশের দিকে আর আসার শঙ্কা না থাকলেও এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ জন্য সমুদ্রবন্দরগুলোকে আগের মতোই ৩ নম্বর (তিন নম্বর) সতর্কতা সংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (এক নম্বর) সর্তকতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, সাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ভারতের দিকে সরে গেছে। বাংলাদেশের কোনও শঙ্কা নেই। তবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, মধ্য ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপে আরও ঘনীভূত হয়ে এখন ভারতের উড়িষ্যা ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে।

এদিকে নদীবন্দরগুলোর জন্য এক সতর্ক বার্তায় বলা হয়, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য এসব এলাকার বন্দরগুলোকে ১ নম্বর (এক নম্বর) সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সমুদ্রবন্দরগুলোর সতর্ক বার্তায় বলা হয়, গভীর নিম্নচাপটি ভারতের উড়িষ্যা ও ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর আশেপাশের এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।