।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

টানা তৃতীয় দিনের মতো করোনায় দৈনিক মৃত্যু একশ’র নিচে রয়েছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু তার আগের দুই দিনের চেয়ে বেড়েছে।

সোমবার (৩০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা কিনা গতকাল ছিল ৮৯ জন, তার আগের দিন ৮০ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। টানা দুই মাস পর সেদিনই করোনায় দৈনিক মৃত্যু ১০০-এর নিচে নেমে আসে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় সরকারি হিসাবে মোট মারা গেলেন ২৬ হাজার ১০৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৭২৪ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনায় সরকারি হিসাবে মোট শনাক্ত হলেন ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ২৬১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে ছয় হাজার ১৮৬ জন সুস্থ হয়েছেন জানিয়ে অধিদফতর জানায়, দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলেন মোট ১৪ লাখ ২১ হাজার ৮৮৩ জন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩১ হাজার ৩৮৩টি আর পরীক্ষা করা হয়েছে ৩০ হাজার ৮৫৫টি।

দেশে এখন পর্যন্ত মোট ৮৯ লাখ ২৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৬টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৩ লাখ পাঁচ হাজার ৬১২টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ১২ দশমিক শূন্য সাত শতাংশ আর এখন পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৮২ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৪৫ জন আর নারী ৪৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব মতে, দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৬ হাজার ৯৪৩ জন আর নারী নয় হাজার ১৬৬ জন।

এদের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুই জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ২৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুই জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চার জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন।

মারা যাওয়া ৯৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৪৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৭ জন, রাজশাহী বিভাগের ছয় জন, খুলনা বিভাগের পাঁচ জন, বরিশাল ও রংপুর বিভাগের একজন করে, সিলেট বিভাগের সাত জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন চার জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, ৯৪ জনের মধ্যে ৭৬ জন সরকারি হাসপাতালে, ১৭ জন বেসরকারি হাসপাতালে আর বাড়িতে মারা গেছেন একজন।