grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সাত কোটি মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘গ্রামেগঞ্জে করোনা আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা গ্রামেগঞ্জে বেশি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। কারণ গ্রামের লোকেরা টিকা কম পেয়েছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব লোকের বেশি মৃত্যু হয়েছে। আমরা তাদেরকে টিকা আগে দেবো।’

শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৩টায় মানিকগঞ্জ শহীদ মিরাজ তপন স্টেডিয়ামে জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আগে মুরব্বিদেরকে টিকা দিতে হবে। তাদেরকে সুরক্ষিত করতে হবে। তারপর আমরা পর্যায়ক্রমে সবাই টিকা পাবো। ইতোমধ্যে আমরা পৌনে দুই কোটি টিকা দিতে সক্ষম হয়েছি।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, যত টাকাই লাগুক পর্যায়ক্রমে দেশের ১৭ কোটি মানুষকে এই করোনার টিকার আওতায় আনা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যতই টিকা নেই না কেন, মাস্ক পরতেই হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। করোনা পরীক্ষার জন্য একটি ল্যাব দিয়ে যাত্রা শুরু করে দেশে এখন ৭৫০টি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া দেশে এখন ১১০টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘করোনায় যেসব মানুষ ও বিভিন্ন সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদেরকে আর্থিকসহ বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছে সরকার। প্রতিবেশী দেশ ভারত করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অক্সিজেনের অভাবে শত শত মানুষ মারা গছে। পক্ষান্তরে বাংলাদেশে এ রকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া উন্নত রাষ্ট্রগুলোও করেনায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরূপ কোনও প্রভাব পড়েনি অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কৌরাইশী সুমনের সভাপতিত্বে ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ ফটো, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা।