grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ, যা গত ৭৯ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এর আগে গতকাল রোগী শনাক্তের হার নেমে আসে ১৪-এর ঘরে (১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ)। তার আগের দিন (২৫ আগস্ট) শনাক্তের হার নামে ১৫ শতাংশের ঘরে। টানা ৭০ দিন পর দেশে করোনায় শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের কম হয়। সেদিন রোগী শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ, যা ১৫ জুনের পর সর্বনিম্ন।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৫২৫ জন। এর আগে গত ১৯ জুন তিন হাজার ৩১৯ জনের শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

শনাক্ত হওয়া তিন হাজার ৫২৫ জনকে নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী মোট শনাক্ত হলেন ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ১৫৩ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১৭ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে সরকারি হিসাবে মারা গেলেন মোট ২৫ হাজার ৮৪৬ জন।

একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ৪৮৫ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ১৪ লাখ চার হাজার ৩৭০ জন।

দেশে করোনায় এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৫০ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৪ শতাংশ।

একই সময়ে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৭ হাজার ২৯৪টি আর পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৭৮টি।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ৩৪৩টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ লাখ ৩২ হাজার ৯২৬টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২২ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৭টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১১৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৪৫ জন আর নারী ৬১ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৬ হাজার ৮১৬ জন আর নারী নয় হাজার ৩০ জন।

এদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন তিন জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৩৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে নয় জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিন জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন আর শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে মারা গেছে একজন।

মারা যাওয়া ১১৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৪০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৭ জন, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের চার জন করে, খুলনা বিভাগের ১১ জন, বরিশাল বিভাগের ছয় জন, সিলেট বিভাগের ১০ জন আর রংপুর বিভাগের পাঁচ জন।

এই ১১৭ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৯২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১৮ জন আর বাড়িতে সাত জন।