grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট ২৩ হাজার ৯৮৮ জনের মৃত্যু হলো বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এছাড়া একই সময়ে করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে সরকারি হিসেবে মোট শনাক্ত হলেন ১৪ লাখ ১২ হাজার ২১৮ জন।

শনিবার (১৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এদিন করোনাতে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৮০৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হলেন ১২ লাখ ৮১ হাজার ৩২৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগ্রহীত হয়েছে ৩২ হাজার ৮১০টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৩০টি। এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫২০টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩১টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২১ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৯টি।

গত একদিনে করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৬৬ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৭৩ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৭৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১০৯ জন আর নারী ৬৯ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৫ হাজার ৮৪২ জন আর নারী মারা গেলেন আট হাজার ১৪৬ জন।

তাদের মধ্যে বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৯১ থেকে ১০০ বছরের বছরের মধ্যে রয়েছেন দুইজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চারজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন আর শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে রয়েছে একজন।

মারা যাওয়া ১৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৬৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগের ১৪ জন, খুলনা বিভাগের ২৩ জন, বরিশাল বিভাগের সাতজন, সিলেট বিভাগের ১১ জন, রংপুর বিভাগের ছয়জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের রয়েছেন পাঁচজন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, মারা যাওয়া ১৭৮ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৩৯ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৫ জন আর বাড়িতে মারা গেছেন চারজন।