।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৫৮ জন, যা দেশে করোনা মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে একদিনে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ। গতকাল ২৪৭ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। গতকাল পর্যন্ত এটাই ছিল সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫৮ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ১৯ হাজার ৭৭৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৯২৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে শনাক্ত হলেন ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৯ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে মোট সুস্থ হলেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৪১৪ জন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, আর দেশে এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার এক দশমিক ৬৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষার রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫২ হাজার ৪৭৮টি, আর নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৫৫ হাজার ১৫৯টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা করা পরীক্ষা হয়েছে ৭৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭১১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার ২০১টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ লাখ তিন হাজার ৫১০টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩৮ জন, আর নারী ১২০ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেলেন ১৩ হাজার ৪৭৮ জন এবং নারী মারা গেলেন ছয় হাজার ৩০১ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিবেচনায় ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে আছেন দুই জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৫০ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে আছেন ১৬ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আট জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুই জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, মারা যাওয়া ২৫৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৮৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৬১ জন, রাজশাহী বিভাগের ২১ জন, খুলনা বিভাগের ৫০ জন, বরিশাল বিভাগের ১৩ জন, সিলেট বিভাগের সাত জন এবং রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের রয়েছেন ১১ জন করে।

তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২০২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩৯ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন ১৫ জন। হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে দুই জনকে।