করিম মিয়া বাজারে ঢুকেই দেখেন মহা হুলুস্থুল ব্যাপার। ঘটা করে দোকান উদ্বোধন করা হয়েছে। দোকানের নাম নিউ ছামবাদিক স্টোর। সাইনবোর্ডে নামের সঙ্গে ছোট করে লেখা এখানে কম রেটে ছামবাদিক ভাড়া দেয়া হয়! দশগ্রামের ত্রাস ল্যাদা ডাকাতকে দেখা যাচ্ছে দোকানের সামনে।

করিম মিয়া একটু এগিয়ে যেতেই ল্যাদা ডাকাত আহ্লাদের হাসি দিয়ে দুপা এগিয়ে এলো। করিম মিয়া সভয়ে একপা পেছাতেই ল্যাদা ডাকাত বলে উঠলো, ‘আরে চাচা, আহেন, আহেন। আইজ থিকা ডাকাতি বাদ। নতুন হালাল ব্যবসা খুলছি।’ বলে নতুন দোকানের মিষ্টি মুখে ঠুসে দিলো।

করিম মিয়া গোঁ গোঁ করে জানতে চাইলেন, ব্যাপারখানা কী? ল্যাদা বললো, ‘জমির ক্যাচাল থেকে ধরা মাল ছাড়া; ভয় দেখানো থেকে তদবির- সব মুশকিল আসান করি আমরা। নতুন ব্যবসা তাই ডিসকাউন্টও আছে। আর বাজারের চেয়ে রেট সব থেকে কম!’

করিম মিয়া মুখের মিষ্টি শেষ করে জানতে চাইলেন, ‘সাংবাদিক বলে একটা শব্দ শুনছিলাম। কিন্তু ছামবাদিকটা কী?’ ল্যাদা ডাকাত হা হা করে উঠলো। বললো, ‘আবে চাচা, সাংবাদিক হইলো যারা খবর দেয়। আমরা ওইটা না। আমরা হইলাম ছামবাদিক। আমরা খালি আপনাগো সেবা করি, সেবা। বুঝবার পারছেন?’

‘তা, এইবার কন’, দশাসই পেটে হাত বুলাতে বুলাতে ল্যাদা ডাকাত জিজ্ঞেস করে, ‘আপনার কী সেবা করতে পারি?’ করিম মিয়া ভাবতে লাগলেন তার কী সেবা লাগবে সে কথা!

*এই বিভাগে প্রকাশিত লেখা, ছবি, ভিডিয়োসহ সব ধরনের বিষয়বস্তু নিছক কাল্পনিক। এসবের সঙ্গে বাস্তবে কোনো মানুষ, গোষ্ঠী, দেশ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান কিংবা ঘটনার মিল নেই। এমনকি কারো অনুভূতিতে আঘাত কিংবা কাউকে নেতিবাচক উদ্দেশ্যে মনোকষ্ট দেয়ারও কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.