।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবং পরবর্তী করোনা বিধিনিষিধে কার্যত টানা ১৯ দিনের ছুটিতে পড়ছে দেশ। ঈদের ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘোষিত বিধিনিষেধে দুই সপ্তাহের বেশি বন্ধ থাকবে অফিস, গণপরিবহন ও শপিংমল। তবে সীমিত আকারে খোলা থাকছে ব্যাংক।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) থেকে ঈদের ছুটি শুরু হলেও ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পশুর হাট সংলগ্ন ব্যাংকগুলোর শাখা-উপশাখা সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকছে।

এছাড়া আজ তৈরি পোশাক শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধের সুবিধার্থে কেবল ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো খোলা থাকবে।

এদিন ব্যাংকে সকাল ১০টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। এ ছাড়া কঠোর লকডাউন চলাকালে আগামী ২৫ জুলাই (রোববার) থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। লেনদেন পরবর্তী সময়ের কাজ গোছানোর জন্য ব্যাংক খোলা রাখা যাবে দুপুর ৩টা পর্যন্ত।

এর বাইরে আরোপিত বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন/প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল কারখানা, কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প-কারখানা।

আগামীকাল বুধবার (২১ জুলাই) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। অর্থাৎ ঈদের তিন দিন (২০, ২১ ও ২২ জুলাই) ছুটি। এরপর ২৩ ও ২৪ জুলাই সাপ্তাহিক (শুক্র ও শনিবার) ছুটি। ফলে ঈদের ছুটি মিলে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সবাই।

অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকেই শুরু হচ্ছে বিধিনিষেধ। এই বিধিনিষেধ চলবে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত। অর্থাৎ মোট ১৪ দিন থাকছে বিধিনিষেধ। এসময় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখা হবে। বন্ধ থাকবে সব শিল্প কারখানা এবং গণপরিবহন।

আগামী ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টার পরদিন শুক্র ও শনিবার (৬ ও ৭ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটি। সাপ্তাহিক ছুটিতে সরকারি অফিস বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ বেসরকারি অফিস খোলা থাকে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে মূলত ঢাকা ত্যাগ করা মানুষদের আসার সুযোগ রেখে ৮ আগস্ট থেকেই শুরু হবে বেসরকারি অফিসের কার্যক্রম।