grand river view

।। শোবিজ প্রতিবেদন ।।

টাঙ্গাইলের একদল কিশোরী ফুটবলার ও তাদের কোচ কামরুন্নাহার মুন্নিকে নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন পরিচালক তাহরিমা খান। ‘মুন্নি’ নামের তার এই তথ্যচিত্র কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছে।

উৎসবের বাণিজ্যিক শাখা মার্শে দ্যু ফিল্মের অন্যতম একটি প্রোগ্রামের নাম ‘কান ডকস’। এতে ‘ডকস-ইন-প্রোগ্রেস’ বিভাগে ‘মুন্নি’ জিতেছে থিঙ্ক-ফিল্ম ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড। 

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় পালে দে ফেস্টিভাল ভবনের রিভিয়েরা টু’তে এই ঘোষণা দেয়া হয়। সশরীরে উপস্থিত হতে না পারায় ভার্চ্যুয়ালি উৎসবে অংশ নেন তথ্যচিত্রটির নির্মাতা ও প্রযোজকরা।

তখন অনুভূতি জানিয়ে তাহরিমা খান বলেন, আমি খুব খুশি ও আনন্দিত। এখনো ‘মুন্নি’র সম্পাদনা চলছে। শিগগিরই তথ্যচিত্রটির পুরো কাজ শেষ করে ফেলবো। সম্পাদনা শেষ হলে তা সবার জন্য প্রদর্শনী করা হবে। তখন দেখা যাবে ‘রিয়াল ইমপ্যাক্ট’।

উৎসবের ৭৪তম আসরের অষ্টম দিন ছিল ‘ডক ডে’। এ বছর ‘কান ডকসে’ জমা পড়া ৩২টি ডকুমেন্টারি প্রজেক্টের মধ্যে যৌথভাবে ৬টিকে পুরস্কৃত করা হয়। এ বিভাগে আইইএফটিএ অ্যাওয়ার্ড হিসেবে ১০ হাজার ইউরো পেয়েছে স্লোভেনিয়ার প্রামাণ্যচিত্র প্রকল্প ‘শেনতানি’।

তথ্যচিত্রটিতে দেখা যায়, কোচ মুন্নি কিশোরীদের বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ তৈরিতে সহযোগিতা করছেন। এর পেছনের গল্পই উঠে আসবে তথ্যচিত্রটিতে। 

এ প্রসঙ্গে তাহরিমা বলেন, এই কিশোরীরা যেন শুধু খেলার মাঠেই নয়, জীবনের সংগ্রামে জিততে পারে, সেই গল্পই দেখানো হবে এই ছবিতে।

‘ডকস-ইন-প্রোগ্রেস’ বিভাগে ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ইনিশিয়েটিভ অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় শোকেস সাউথ এশিয়ায় নির্বাচিত হয় চারটি প্রামাণ্যচিত্র প্রকল্প। এর মধ্যে ছিল আবু শাহেদ ইমন প্রযোজিত ‘মুন্নি’। অন্য তিনটির মধ্যে নেপালের সাবিনা শ্রেষ্ঠ পরিচালিত ‘দেবী’ পেয়েছে সম্মানসূচক ম্যানশন। পুরস্কৃত বাকি চারটি প্রামাণ্যচিত্র প্রকল্প হলো ফ্রান্সের ‘গেট্টো’, ফিলিস্তিনের ‘থ্রি প্রমিজেস’, ফ্রান্সের ‘অব ডগস অ্যান্ড গডস’, চিলির ‘মিটিং পয়েন্ট’ এবং ইতালির ‘সাভয়া’।