grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ডের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ দেশে এরই মধ্যে যারা নিয়েছেন দ্বিতীয় ডোজের তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আজ রোববার (৪ জুলাই) একাত্তর টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে এ কথা জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর।

কোভিশিল্ড উৎপাদনকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করে ৩ কোটি ডোজের জন্য অগ্রিম অর্থ প্রদান করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় টিকা রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটির সরকার। আর এতে প্রত্যাশিত টিকা আসা বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নেয়া অনেকেই দ্বিতীয় ডোজের জন্যে অপেক্ষায় রয়েছেন।

ডা. আলমগীর জানান, দেশে বর্তমানে ১৪ লাখের মতো মানুষ রয়েছেন যারা অ্যাস্ট্রেজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের এই টিকারই (কোভিশিল্ড) দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। এরই মধ্যে ফাইজার, মডার্না বা সিনোফার্মের মতো অন্য কোম্পানির টিকা দেশে এসে পৌঁছালেও সেসব টিকা কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নেয়া ব্যক্তিরা নিতে পারবেন না বলেও জানান এই চিকিৎসক।

তবে আগামী সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ১০ লাখ ডোজ পাওয়া যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন ছয় মাস পর্যন্ত তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যাবে বলে গবেষণায় পাওয়া গেছে। তাতে করে কোনও অসুবিধা হবে না। তবে প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ দুই কোম্পানির নেয়া যাবে কিনা প্রশ্নে ডা আলমগীর বলেন, এ নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে।

এদিকে গত শুক্রবার (২ জুলাই) রাত ১২টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মডার্নার ১২ লাখ টিকা গ্রহণকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক আগামী আগস্ট মাসে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে আবারও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।