grand river view

।। নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ।।

রাজশাহীতে করোনার ভয়াবহ সময় মোকাবিলার জন্য বন্ধ থাকা সদর হাসপাতালের পাশাপাশি সিটি করপোরেশন পরিচালিত নগর হাসপাতালগুলো চালু করার দাবি জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। রিটায়ার্ড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের ১৬ সদস্য শনিবার এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি ঘটছে।  আক্রান্তের হার ক্রমেই বাড়ছে এবং ভয়াবহ চিকিৎসা সংকট দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাঁরা বিবৃতিতে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন।

তাঁদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রতিটি হাট, বাজার, পাড়া, মহল্লা, ওয়ার্ড, ইউনিয়নে কমিটি করে সবাইকে মাস্ক পরিধান ও তিনহাত দূরত্ব পালনে উদ্বুদ্ধকরণ। কমিটিতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান, ছাত্র যুবক শিক্ষক ইমাম  স্বাস্থ্যকর্মী এনজিওসহ পেশাজীবীদের সম্পৃক্তকরণ; রাজশাহীসহ সকল উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরকারি হাসপাতালে করোনা টেস্ট এর সুবিধা বৃদ্ধিকরণ। পর্যাপ্ত হাইফ্লো অক্সিজেন ক্যানোলা ও অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন; জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে ঢাকার মত রাজশাহী ও সকল জেলার বড় প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে ২০ শতাংশ করোনা রোগী ভর্তি নিশ্চিতকরণ, বন্ধ থাকা রাজশাহী সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত নগর হাসপাতালগুলো অবিলম্বে চালুকরণ এবং রাজশাহী বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, সিএমএইচ, রেলওয়ে হাসপাতাল ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন।

বিবৃতিতে সই করেন রিটায়ার্ড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট  প্রকৌশলী আবুল বাশার, সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. শরীফুজ্জামান, জেলা জজ জাহিদুল ইসলাম ও ওবায়দুর সোবহান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এনতাজুল হক ও ড. আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমদ ও আব্দুল মান্নান, অ্যাডিশনাল আইজিপি মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, রেশম বোর্ডের মহাপরিচালক আব্দুল হাকিম, ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা ও ইসরাইল হক,  বিসিকের জিএম এনামুল হক, রাকাবের জিএম রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্মসচিব আব্দুল বারী ও সিনিয়র সাংবাদিক আহমদ সফি উদ্দিন।

তারা মহামারিতে যেসব চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, ব্যক্তি, সমাজকর্মী, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছেন তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।