grand river view

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

এবারের বাজেটেও কালো টাকা সাদা করার চলমান বিশেষ সুযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুবিধা বলবত থাকছে। পুঁজিবাজার, আবাসন ও শিল্প খাতে বিনিয়োগের স্বার্থেই কালোটাকা বিনিয়োগের বিশেষ সুযোগ আবারও দেয়া হয়েছে। যদিও অর্থবিল পাশের আগে সংসদে দেওয়া অর্থমন্ত্রীর সমাপনী বক্তৃতায় বিষয়টি উল্লেখ করেননি। তারপরও এ সুযোগটি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। অবিলম্বে এনবিআর এ সংক্রান্ত এসআরও জারি করবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সরকার মনে করে, বিনিয়োগ এবং চলমান অর্থনৈতিক প্রবাহে অপ্রদর্শিত আয়ের টাকাগুলো আনতেই এ সুযোগ আবারও দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি কয়েকবারই অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের পরিষ্কার করেছেন।

জানা গেছে, এজন্য অর্থবিলের মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকে রক্ষিত নগদ অর্থ ও আমানত রিটার্নে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ আয়কর ও ৫ শতাংশ জরিমানা দিতে হবে। যা চলতি বাজেটে ছিল ১০ শতাংশ। আবাসন খাতেও কালোটাকা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট বা প্লটের বর্গমিটারপ্রতি আগের নিয়মে কর দিতে হবে। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ জরিমানার বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। যা এসআরওতে উল্লেখ থাকবে।

একইসঙ্গে ১০ শতাংশ কর দিয়ে দেশের যে কোনও উৎপাদনশীল খাতে কালোটাকা বিনিয়োগ করা যাবে। এই বিনিয়োগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা সরকারের অন্য কোনও সংস্থা প্রশ্ন করবে না। আবাসন ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও নতুন বিধান করা হচ্ছে। পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা বিনিয়োগের বিশেষ সুবিধা বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এর পরিবর্তে নির্ধারিত করে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জরিমানা দিতে হবে। অর্থাৎ কর ২৫ শতাংশ হলে ৫ শতাংশ হারে এক দশমিক ২৫ শতাংশসহ ২৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কর দিয়ে টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে। এ নিয়ম মেনে বিনিয়োগ করলে দুদক বা অন্য কোনও সংস্থা প্রশ্ন করবে না।