।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

সিরিজের সর্বোচ্চ দলীয় রান শ্রীলঙ্কার এই ২৮৬। আগের দুই ম্যাচে ২৫৭ ও ২৪৬ রানের পুঁজি নিয়েও জিতেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচের উইকেট অবশ্য সিরিজের সেরা ব্যাটিং উইকেট বলেই মনে হচ্ছে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এর চেয়ে বড় রান তাড়ায় জয়ের ঘটনা আছে চারটি। এর মধ্যে একটি বাংলাদেশের, ২০১২ এশিয়া কাপে ভারতের ২৮৯ রান তাড়া করে।

শেষ ১০ ওভারে প্রত্যাশিত ঝড় না উঠলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিতে পারল শ্রীলঙ্কা। ৫০ ওভারে তাদের রান ৬ উইকেটে ২৮৬।

শেষ ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কা করতে পারে কেবল ৬৯ রান। এর মধ্যে শরিফুলের করা শেষ ওভার থেকেই আসে ১৮ রান। ৪১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ৯ ওভারে বাউন্ডারি হয় কেবল দুটি।

ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে হাফ সেঞ্চুরিতে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা অপরাজিত থাকেন ৭০ বলে ৫৫ রানে।

টস জয়ের পর কুসল পেরেরা বলেছিলেন, ব্যাটসম্যানদের লম্বা ইনিংস খেলতে হবে। সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধেই তুলে নেন লঙ্কান অধিনায়ক। তার ১২০ রানের ইনিংসটিই দলের ইনিংসের মেরুদণ্ড।

শ্রীলঙ্কা : ৫০ ওভারে ২৮৬/৬ (গুনাথিলাকা ৩৯, কুসল পেরেরা ১২০, নিসানকা ০, কুসল মেন্ডিস ২২, ধনাঞ্জয়া ৫৫*, ডিকভেলা ৭, হাসারাঙ্গা ৬, রমেশ ৮*; শরিফুল ৮-০-৫৬-১, মিরাজ ১০-০-৪৮-০, মোসাদ্দেক ৩-০-৩২-০ তাসকিন ৯-০-৪৬-৪, মুস্তাফিজ ১০-০-৪৭-০, সাকিব ১০-০-৪৮-০)।