grand river view

।। নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ।।

এখনও শরীর পুরোপুরি সারেনি। করোনা-উত্তর জটিলতা রয়ে গেছে। সবশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় রক্তের ডি-ডাইমার স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি এসেছে। তারপরেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের লাগোয়া জেলা হিসেবে রাজশাহীতে করোনা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা নিয়ে তা মোকাবিলায় ফের মাঠে নেমেছেন সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।

কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পোস্টকোভিড কিছু শারীরিক সমস্যা ছাড়া ভালোই আছি। এখনও চিকিৎসা নিচ্ছি। রোজ ইঞ্জেকশন নিতে হচ্ছে। এর মধ্যেও টুকটাক বের হচ্ছি করোনার ব্যাপারে কাজ করতে। কারণ, মানুষ বিপদে আছে। এসময় যতটা পারা যায়, তাদের সাপোর্ট করাই মূল কাজ।”

গেলো মাসে দুই ডোজ টিকা নেয়ার পর করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় ওয়ার্কার্স পার্টির এই সাধারণ সম্পাদকের শরীরে। ১৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় বিমান বাহিনীর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে করোনার সংক্রমণমুক্ত হয়ে এ মাসের শুরুতে রাজশাহী ফেরেন তিনি। ফেরার পর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শমত বাড়িতে বসেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা পরিস্থিতির অবনতি শুরু হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চাপ বাড়তে শুরু করে। এ অবস্থায় ২২ মে ফজলে হোসেন বাদশা সভাপতি হিসেবে রামেক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিষদের বৈঠকে যোগ দেন। সেখানে করোনা চিকিৎসার পরিসর বাড়ানোর বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৫ মে) তিনি জেলা প্রশাসক আবদুল জলিলের সঙ্গে দেখা করে রাজশাহীর করোনা পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নেন। এসময় বাদশা তাকে জানান, প্রথম দফার মতোই এবারও জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ তৈরির মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। এর আগে তিনি বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে করোনাচিকিৎসার পরিসর বাড়ানোর ব্যাপারে রামেক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গেলো বছর করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় রাজশাহীতে এই সংসদ সদস্য সংক্রমণ মোকাবিলায় ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। সভাপতি হিসেবে হাসপাতালের চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেছেন। সচেতনতা তৈরির জন্য তিনি রাস্তায় রাস্তায় মানুষের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করেন।