।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে ঈদুল ফিতর ঘিরে কোনো প্রতিষ্ঠান কর্মীদের সরকারি তিন দিনের অতিরিক্ত ছুটি দিতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানানোর সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদে তিন দিনের বাইরে কোনো ছুটি দেয়া হবে না।

“গার্মেন্টস ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও কোনো বন্ধ দিতে পারবে না। তিন দিনের বাইরে আর কোনো বন্ধ বা অতিরিক্ত ছুটি দিতে পারবে না।”

চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১৩ বা ১৪ মে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে একদিন বা দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়বে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রোধে কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় ধাপে ১৪ এপ্রিল থেকে দেশে জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা ‘সর্বাত্মক’ লকডাউন নামে পরিচিতি পায়।

এই বিধিনিষেধের মধ্যে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস ও গণপরিবহন আগের মতই বন্ধ আছে। তবে উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ চালাতে পারবে।

শুরুতে লকডাউনে শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও ‘জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে’ গত ২৫ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল খোলার অনুমতি দেয়া হয়।

লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকে লেনদেন করা যাচ্ছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত জনবল দিয়ে বিভিন্ন শাখা চালু রেখেছে ব্যাংকগুলো।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.