শারুন চৌধুরী

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া মৃত্যুরহস্য নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিলেন তার ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। রোববার (২ মে) তিনি হত্যামামলার অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই মামলায় তিনি আসামি করেছেন সরকারদলীয় হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর ছেলে চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনকে, যিনি শারুন চৌধুরী নামে পরিচিত।

ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মুনিয়ার ভাই মামলার আবেদন করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়া আবেদনটি নিলেও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার তদন্ত চলায় আপাতত এটির কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন।

২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করার পর সে রাতেই তার বোন বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার চলমান মামলাটি গুলশান থানায় দায়ের করেছিলেন। সেই মামলায় তিনি আসামি করেছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে। মামলার অভিযোগে তিনি দাবি করেন, আনভীর ‘বিয়ের প্রলোভন’ দেখিয়ে মুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তাকে ওই বাসায় রেখেছিলেন। কিন্তু বিয়ে না করে তিনি উল্টো ‘হুমকি’ দেওয়ায় মুনিয়া আত্মহত্যা করেন।

এদিকে মুনিয়ার ভাইয়ের আদালতে দেয়া অভিযোগ নিয়ে হুইপপুত্র শারুন চৌধুরী ঢাকার সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজকে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি দেড় মাস ধরে চট্টগ্রামে আছি, আমি কীভাবে এই ঘটনায় জড়িত?” তিনি বলেন, “বসুন্ধরা গ্রুপ ইস্যুটাকে ভিন্ন খাতে নিতে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। আমি এই ঘটনায় সম্পৃক্ত নই। আইন এবং বিচারের প্রতি আমার শতভাগ আস্থা আছে।”