।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

নন্দীগ্রাম তার নিজের আসন নয়। শুধু সেখান থেকে শুভেন্দুকে ঠেকাতে ঘোষণা দিয়েই দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। কিন্তু বিধি বাম। জিতলেন শুভেন্দু, হারলেন মমতা। রাজ্যে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন নিশ্চিত হবার পর কোথায় তৃণমূল শিবিরে আগামী দিনে দিদিকে প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে দেখার আলোচনা নতুন জোর পাবে, তা না, এই হারে আপাতত মমতা মুখ্যমন্ত্রীই হতে পারছেন না। কারণ ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, বিধানসভার সদস্য ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হওয়া যাবে না।

ভারতের সংবিধানের আর্টিকেল ১৬৩ ও ১৬৪ অনুযায়ী, কাউকে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হতে চাইলে বিধানসভার সদস্য হতে হবে। ওই ধারায় বলা হয়েছে, রাজ্যের বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ আইন প্রণেতারাই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করবেন। আরও বলা হয়েছে, টানা ছয় মাস মন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রী থাকতে গেলে তাকে রাজ্যের কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। অন্যথায় ১৮০ দিন পর তার পদ বাতিল হয়ে যাবে।

তাহলে উপায় একটাই। ৬ মাসের মধ্যে দলের কোনও এক সদস্যকে পদত্যাগ করে তার আসনটি শূন্য করে দিতে হবে। আর সেখান থেকে ভোটে জিতলে তবেই রাজ্যের ২৯৪ আসনের বিধানসভার আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হবেন তিনি। তারপর তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন।