।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

মোসারাত জাহান মুনিয়া দুটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। তিনি মারা যাবার আগে থেকে একটি ফোন বন্ধ থাকলেও অন্য নম্বরটি সচল ছিলো তার মৃত্যুর পরেও। দুটি ফোনই এখন পুলিশের হাতে। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সাংবাদিকদের একথা জানান।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজপড়ুয়া মুনিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সে রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে মামলা হয় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে।

দুই মোবাইল সম্পর্কে জানালেও কোন ফোন থেকে সবশেষ কার সঙ্গে কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি ডিসি সুদীপ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়গুলো তাদের তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মুনিয়ার লেখা যে ডায়েরিগুলো উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলো ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল অবধি ধারাবাহিকভাবে লেখা হয়েছে। একটি লেখায় কোনো দিনক্ষণ উল্লেখ নেই। পুলিশের ধারণা, এই লেখাটিতে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিয়েছেন নিহত তরুণী। ডায়েরিগুলোতে মুনিয়া তাদের সম্পর্কের নানা খুঁটিনাটি লিখে গেছেন। এসেছে নানা চাপ ও টানাপড়েনের কথা।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি জানান, ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ভুক্তভোগী তরুণীর বোন পুলিশকে জানানোয় উৎসাহী ছিলেন না, তাঁরা মামলা করতেও অতটা ইচ্ছুক ছিলেন না। বাড়ির মালিক বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়ালে টানানো মুনিয়ার সঙ্গে আনভীরের ছবি দেখতে পায়।