ঘুমশূন্য প্রহর

তোমাকে পেরিয়ে যায় একেকটি ঘুমের প্রহর
চোখ বুজে আসে, তবু ঘুমন্ত সময়গুলো উড়ে যায়
তোমাকে ঘুমের হাহাকারে ফেলে… পাশবিকতায়
সবাই ঘুমের জংশনে কোনো কোলাহল ছাড়াই ঘুমায়
নিশাচর পাতাও ঘুমগাছের ধ্বংসস্তূপে মঞ্জিল খুঁজে পায়
তুমিই গল্পের ঘুলঘুলি বেয়ে ঢুকে যাও নির্ঘুম দূরের গলিতে
রাতও পায় না খুঁজে তোমাকে নিঃসঙ্গতার ঘুমে বিঁধে দিতে!

মৃত্যুউৎসব

চলে যাবো, তোমাদের সমাধির নিঃসীম অন্ধকারে
দিনে, ট্র্যাজেডি হাওয়া সেখানে হুটোপুটি খায়
প্রকৃত ঘুমের কাছে চুপচাপ নতজানু হবো
চ্যূত হবো, মিশে যাবো গাছের নিস্পৃহ বাদামি শরীরে
নদীর ওপারে, সুনসান চরে—লুকাবো প্রিয়তম ছায়া
কুয়াশা পাহাড়ে একদিন ক্লান্ত তারাফুল হবো
উড়ো ঝড়ে ঢুকে যাবো তোমাদের বৈশাখি মৃত্যুউৎসবে!

সমবেদনা

বাড়িটা প্রার্থনা করে না, অস্বস্তিকর ছায়াঘেরা
কমে যাচ্ছে মনের জৌলুস, বিড়বিড় করে ঘেন্নায়
—কী বলে প্রকাশ্যে, শুনে আসো কান পেতে!

নতমুখে দাঁড়ায় না কেন আহত ধ্বংসস্তূপের পাশে?
ঘৃণা ছড়ায় অবজ্ঞাতে কাদের—গেঁথে নিও সন্দেহে
—প্রতিবেশীরা ছুটে যাবো রাতে, তাণ্ডবে সান্ত্বনা দিতে…

অলংকরণ হিম ঋতব্রত