।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও পাঁচ হাজার ৩৫৮ জন। করোনাকালে বাংলাদেশে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এদের নিয়ে দেশে করোনায় সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ছয় লাখ ১১ হাজার ২৯৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৫২ জন। এদের নিয়ে সরকারি হিসাবে মারা গেলেন মোট ৯ হাজার ৪৬ জন।

আজ বুধবার (৩১ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৯ মার্চ করোনাকালের সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড হয় বাংলাদেশে। সেদিন একদিনে শনাক্ত হন পাঁচ হাজার ১৮১ জন। গতকাল ৩০ মার্চ শনাক্ত হন পাঁচ হাজার ৪২ জন। এ নিয়ে দেশে তৃতীয় দিনের মতো টানা শনাক্ত পাঁচ হাজারের ওপরে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৫২ জন। এর আগে গত বছরের ২৬ আগস্ট মারা যান ৫৪ জন। সে হিসাবে গত সাত মাসের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর খবর জানালো স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ২১৯ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৪২ হাজার ৩৯৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৯। শনাক্ত হার বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৮ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, দেশে বর্তমানে ২২৪ পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। তার মধ্যে আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে পরীক্ষা হচ্ছে ১২০টি পরীক্ষাগারে। জিন-এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষা হচ্ছে ৩১টি পরীক্ষাগারে। আর র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে পরীক্ষা হচ্ছে ৭৩টি পরীক্ষাগারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয় ২৬ হাজার ৬৭১টি। নমুনা পরীক্ষা হয় ২৬ হাজার ৯৩১টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ৫৭৬টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪০টি, আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৩৬টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫২ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৮ জন, আর নারী ১৪ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেছেন ছয় হাজার ৮১২ জন এবং নারী দুই হাজার ২৩৪ জন। শতকরা হিসাবে পুরুষ ৭৫ দশমিক ৩০, আর নারী ২৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

বয়স বিবেচনায় তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৩০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন আট জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন আট জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে আছেন পাঁচ জন, আর ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন একজন।

বিভাগ বিশ্লেষণে এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৩৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯ জন, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের তিন জন করে, সিলেট বিভাগের দুই জন, আর রংপুর বিভাগের আছেন একজন।

৫২ জনের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৫১ জন এবং বাড়িতে একজন।