।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে ভারত সরকারের দেয়া গান্ধি শান্তি পদক গ্রহণ করেছেন শেখ রেহানা। শুক্রবার (২৬ মার্চ) জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত থেকে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এ পদক গ্রহণ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে শেখ হাসিনাও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার শেষ দিনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন। মোদি দুই দিনের সফরে শুক্রবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে ঢাকায় পৌঁছেন।

শেষ দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করছেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ উপস্থিত রয়েছেন।

গত ১৫ মার্চ ভারত সরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ২০২০ সালের গান্ধি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এই পুরস্কার ঘোষণা করে। মহাত্মা গান্ধির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করে দেশটির সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তরণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

গান্ধি শান্তি পুরস্কারের বিচারকমণ্ডলীর প্রধান ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি ছাড়া বিচারকমণ্ডলীর অন্য সদস্যরা হলেন— ভারতের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, লোকসভার প্রধান বিরোধী দলের নেতা, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং সুলভ ইন্টারন্যাশনাল সামাজিক সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বিন্ধ্যেশ্বর পাঠক। গত শুক্রবার বৈঠকে বিচারকমণ্ডলী ২০২০ সালের পাশাপাশি ২০১৯ সালের পুরস্কার প্রাপকের নামও চূড়ান্ত করেন। ২০১৯ সালের পুরস্কার দেয়া হয় ওমানের প্রয়াত সুলতান বিন সায়েদ আল সায়েদকে।

পুরস্কারের অর্থমূল্য এক কোটি রুপি। সঙ্গে দেয়া হয় মানপত্র ও ঐতিহ্যপূর্ণ হস্তশিল্প সামগ্রী। ১৯৯৫ সাল থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

অতীতে গান্ধি শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—তানজানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস নায়ার, নেলসন ম্যান্ডেলা, আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, রামকৃষ্ণ মিশন, বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংক।