।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

কোভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার কুর্মিটোলা হাসপাতালে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর আজ রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে টিকা দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসি অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া প্রথম টিকা নিয়ে ওই হাসাপাতালের টিকা কার্যক্রমের সূচনা করেন।

কুর্মিটোলা হাসপাতাল ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আজ টিকা দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার এই পাঁচটি হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে টিকা দেয়া হবে।

আজ টিকা দেওয়ার পর ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টিকাদান বন্ধ থাকবে। টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

এর আগে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঁচজনকে টিকা দেওয়া হয়। প্রথম টিকা নেন কুর্মিটোলা হাসপাতালের নার্স রুনু বেরুনিকা কস্তা।

আরও টিকা নিয়েছেন- ডা. আহমেদ লুৎফুল মোবেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের মতিঝিল বিভাগের কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ। সব মিলিয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন পেশার ২৬ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

এর মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী লড়াইয়ে বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে টিকা প্রয়োগে যুক্ত হলো বাংলাদেশ। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, আমেরিকা, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের ৫৩টি দেশে এর আগে টিকার প্রয়োগ শুরু হয়।