অমৃত

তুমি তুমি ধ্বনিগুলো খুন হয়ে গেলে
দেখো—
দ্বিপদ তারার অহঙ্কার থেকে নেমে যায় নেমেসিস।

হাতের তালুর থেকে যেরকম সরে যাচ্ছে হৃদরেখা।

একদিন দেখবে সাদা মানুষ, নির্লোম
চোখদুটো পাথরের, ঘননীল
শরীরে কাতরতা নেই, ব্যথা নেই— রক্ত ঝরবে না।

অমন মৃত কারো মুখের কাছে মুখ ঘষে বলো ‘অমৃত’

গতি

পাতালে আলপনা আঁকা কখনো শেষ হয় না

যেখানে দহন সেখানে দাগ
যেখানে দাগ সেখানে আলপনা।

কারো কারো লাল চোখ জ্বলজ্বলে রাত
পাতাল মানুষ আরোহী বাতাস
ভূগোলের দাগে দাগে নাচতে থাকা নীলা পাথার।

পৃথিবী
৩৬৫র অঙ্ক।

কার কলম চলছে কার কলম চলছে না
গুনে রাখছে তা না শাদা ওম
আগামী নেই যার
তথাপি আগাম বার্তায় পৌঁছে যাচ্ছে ভ্রমণ আর ঘোরসাওয়ার।

যে মুহূর্ত গেল খসে

দর্পণে কালো হরিণ
মনে হয়, কথা বলছে
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনে।

সেও মরীচিকা হবে
দেখাবে মৃগয়া বন,
ঋষি আর রাজার রথ বদল।

যেন আর ফিরে পাওয়া হয় না
যে মুহূর্ত গেল খসে

কাঁধে নিয়ে সোমদাগ
মায়া টইটুম্বুর

গেরুয়া পোশাকে থাকে হরিণের ক্ষত।