।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস বলেছেন, কোভিড নাইনটিন মোকাবিলায় এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভরশীলতা না আসায় সংকট প্রকোটই রয়ে গেছে।

শুক্রবার একদিনে বিশ্বব্যাপী সাড়ে ৬ লাখের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন প্রায় ১০ হাজার। এ যাবতকালের রেকর্ড আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে। ভারত ও ব্রাজিল ছাড়াও ইউরোপের দেশগুলোতেও সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে করোনা সংক্রমণ। টানা কয়েকদিন একদিনে দেড় লাখের বেশি শনাক্ত মিলেছে। শুক্রবার ১ লাখ ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে সংক্রমণ। মৃতের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কর্মসূচির প্রধান মনসেফ স্লাওই জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে ২ কোটি মার্কিন নাগরিক ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কর্মসূচির প্রধান মনসেফ স্লাওই বলেন, সংক্রমণ বেড়েই চলেছে ইউরোপের দেশগুলোতে। বিধিনিষেধ আরোপ করেও তেমন কোনো উন্নতি নেই। শীত যত জেঁকে বসছে, ভাইরাস তত ছড়াচ্ছে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ দেশ ভারত-ব্রাজিলের অবস্থার পরিস্থিতিও ভয়াবহ।

সংকট কাটাতে ভ্যাকসিন আমদানি ও নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কয়েকটি দেশ। টিকা কিনতে এক বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার খরচ করছে জাস্টিন ট্রুডোর কানাডা। পাশাপাশি কুইবেকের ম্যাডিকাগো তাদের নিজস্ব টিকা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। আর মার্কিন ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাইজারের সঙ্গে চুক্তি করেছে ইসরাইল।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ডিসেম্বরে অক্সফোর্ডের টিকা আনতে যাচ্ছে। তবে সারাদেশে তা ছড়িয়ে দেয়াই মূল চ্যালেঞ্জ। যদিও গবেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের আগে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছানো কঠিন হয়ে যাবে।

Berger Weather Coat