।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

লালমনিরহাট বুড়িমারীতে সহিদুন্নবী জুয়েলকে (৫০) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ছাই করার ঘটনায় ন্যায় বিচারের জন্য রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফরের সঙ্গে দেখা করেছেন জুয়েলের স্বজনরা।

এ সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জুয়েলের স্বজনদের লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ‘আমাদের ((ডিসি, পুলিশ সুপার ও আদালত) ওপর আস্থা রাখুন। জুয়েলকে নির্মমভাবে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ছাই করার ঘটনায় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। এ জন্য সময় প্রয়োজন। এতে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে।’

রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জুয়েলের মেয়ে জেবা তাসনিয়া অনন্যার হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের বড় ভাই রংপর কারমাইকেল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. তৌহিদুন্নবী।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে সহিদুন্নবী জুয়েলকে হত্যার পরে লাশ টেনেহিঁচড়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম বাঁশকলে মেসার্স জয় ট্রেডার্সের সামনে মহাসড়কের ওপর পেট্রোল, কাঠখড়ি ও টায়ার দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করা হয়। এ ঘটনায় রুজু হওয়া তিনটি মামলায় এজাহার নামীয় ১১৪ আসামি ও অজ্ঞাত শত শত আসামির মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০ দফায় এজাহার নামীয় ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে ওই মসজিদের খাদেম জোবায়েদ আলী ওরফে জুবেদ আলী এবং প্রথম মারধরকারী আবুল হোসেন ওরফে হোসেন আলীও রয়েছেন।

Berger Weather Coat