আদেশ

আকাশ থেকে জল আসে
রোদ কুয়াশা ও মেঘ, পাখিরাও এসেছে অনেক।
হয়তো এসেছে মৃত্যু-ভয়, বিভীষিকা
গ্রন্থ! বাণী! চীৎকার! এবং সত্য।
যা তোমাকে বলা হয়, তাই সত্য
আমরা যা করি, সত্য তাই।
আমাদের সব ইচ্ছেই সত্য
আমাদের ইচ্ছেই পৃথিবীর মানুষের।
এর বাইরে সত্য নেই, এটাই অমোঘ
গ্রহণ করো, মেনে নাও সত্য এটাই।

ফাদার

ফাদার! এ শব্দে স্থির হই
কেমন মোহময় ঋজু, উদার অবারিত।
বাবা! কখন এলে? (দৌড়ে গিয়ে)
বন্ধুদের মতো, যদি ডাকা যেত?
মা আমায়, নিয়ে যায় নিয়ে আসে
বুকের ভেতরে রাখে, কী নম্র অনন্ত ভালোবাসে।
মা আমার মা, প্রাচুর্যময়
বর্ষা শ্রাবণ শীত। উষ্ণ রহস্যময়।
মা—বাবারা কেমন হয়? দেখা যায়?
না সোনা। আমি কেবলই তোমার মা
বাবা! অনেক মহান, থাকেন গির্জায়।
বাবা! আমায় বিচলিত করে, এনে দেয় কাতরতা।

কে শোধে দায়

কোথা হতে কতদূর যাবো?
আমাদের অনন্ত জিজ্ঞাসা।
এই পাট পথঘাট অচঞ্চল দিন
মরু বায়ু খড় তৃণ পোড়ানো জমিন।
এই স্রোত জীবনের, অনন্তকাল
প্রাণময় বায়ু তার প্রথম সকাল।
আমাদের এইসব আজন্ম ঋণ
কে শোধে কার দায়?
কেবলই গ্রহণ করি, কী যেন খুঁজি
নিজের বিছানা বিষাক্ত করি, নিজে।
এই গ্রহণের দায়, আমাদের
এবং যারা থাকবে তাদের, সকলের কি হবে?

প্রচ্ছদ হিম ঋতব্রত