।। বিশেষ প্রতিনিধি, রংপুর ।।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমের বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্ত নাটকীয় মোড় নিয়েছে।

ঘটনার একদিন পরেই র‌্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ ব্রিফিংয়ে দাবি করা হয়েছিলো, আসাদুল নামের একজন এই হামলার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। র‌্যাব আরও দাবি করে, আসাদুল নিছক চুরির উদ্দেশ্যে এই ঘটনা বলে জানায়।

তবে শনিবার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, এ ঘটনায় আসাদুল জড়িত নয়। বরং ইউএনও অফিসের বরখাস্তকৃত কর্মচারী রবিউল এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানান তিনি।

ডিআইজি জানান, শুক্রবার রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে হামলায় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হাতুড়ীটি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিরল উপজেলার বিজোড়া গ্রামের বাসিন্দা রবিউল কী কারণে এই ঘটনা ঘটায়, তা নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাননি ডিআইজি।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। কী কারণে হামলা আর তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত শেষে বলা যাবে।’

শনিবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত রবিউলকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করে পুলিশ।

পুলিশ এখনই কিছু না বললেও ইউএনওর বাসভবনের এক কর্মচারী এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছিলেন, এই রবিউল ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ব্যাগ থেকে টাকা চুরি করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে তা ধরা পড়ার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

Berger Weather Coat