পড়তে পারবেন 2 মিনিটে Berger Weather Coat

।। সময় সংবাদ, নোয়াখালী ।।

দেশের স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুলেছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। ঢাকার প্রভাবশালী টেলিভিশন সময় সংবাদে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যবিভাগ সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি।

বিস্ফোরক নানা মন্তব্য করে তিনি জুড়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে তিনদিনে ক্যাসিনো সিন্ডিকেট নিকেশ করেছেন, সেভাবেই তিনি স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি আশা করেন।

সময় টিভির ইউটিউব চ্যানেলে পুরো সাক্ষাৎকারটির যে সম্পাদিত অংশ প্রচার করা হয়েছে, সেখানে এমপি একরামুলকে বলতে দেখা যায়, দেশের তিনটি ক্ষেত্রে তিনি সিন্ডিকেট দেখতে পান। স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তিনি এসময় ব্যাংকিং ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সিন্ডিকেট রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘জানি না, এসব কথা এভাবে বলতে গিয়ে আবার কোন বিপদ আমার ওপর আসে। কিন্তু আমি সেসব নিয়ে ভাবছি না।’

সময় টিভিতে দেয়া একরামুল করিম চৌধুরীর সাক্ষাৎকার দেখুন এখানে

মূলত কিট সংকটে নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের কয়েকটি জেলায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ বন্ধ থাকার বিষয় নিয়ে সময় সংবাদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো এমপি একরামুলকে। জবাবে তিনি দাবি করেন, সিন্ডিকেটের কারণেই কিট সংকট হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি স্ট্যান্ডিং কমিটির মেম্বার হওয়ার পর থেকে বুঝতে পারি না যে এটা (স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়) কে চালায়। এটা কি মন্ত্রীর হাতে, নাকি ডিজির (স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক) হাতে তাও বুঝি না। মাঝে মধ্যে মনে হয় এখানে মন্ত্রীর চেয়েও ডিজি বড়।’

সংসদ সদস্য একরামুল চৌধুরী বলেন, ‘এখানে একটা বড় সিন্ডিকেট, তারা বলেছিল ১ লাখ কিট দেয়ার জন্য। তারাই বাংলাদেশে এনে তাদের কাছে রেখে দিয়েছে। এদের নেতৃত্বে আছে মিঠু।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য প্রশ্নের জবাবে দাবি করেন, সিন্ডিকেটে অনেকে থাকলেও তিনি শুধু মিঠুর নামই জানেন। এই মিঠু বিদেশ থেকে এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে একরামুল জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে তাদের এসব উপলব্ধি স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক না হওয়ায় সেখানে তুলে ধরতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে মন্ত্রীকে ফোন করিনি, তিনিও আমাদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি।’