।। রয়টার্স, উহান ।।

চীনা শহর, যেখানে করোনাভাইরাস মহামারীটি প্রথম শুরু হয়েছিল, বুধবার সেই উহানে দুই মাসের লকডাউন শেষ হয়েছে। তবে চীনের মূল ভূখণ্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি শহর সংক্রমনের দ্বিতীয় আঘাতের উদ্বেগের মধ্যে তার বাসিন্দাদের চলাচলকে সীমাবদ্ধ করতে শুরু করেছে।

চীন জানুয়ারীর শেষদিকে এই ভাইরাসের বিস্তার বন্ধ করতে ১১ মিলিয়ন লোকের শহর উহানকে সিলগালা করে দেয়। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে উহানের ৫০ হাজারেরও বেশি লোক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি লোক মারা যায়। সে হিসেবে চীনে করোনায় মোট মৃত্যুর প্রায় ৮০ শতাংশ এই শহরে।

সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। হুবেই প্রদেশের এই রাজধানীতে গত ২১ দিনে মাত্র তিনটি নতুন সংক্রমণ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। গত ১৫ দিনে কেবলমাত্র দুটি নতুন সংক্রমণ হয়েছে।

তবে উত্তরাঞ্চলের প্রদেশ হিলংজিয়াংয়ে বাইরে থেকে আসা সংক্রমনের মাধ্যমে আক্রান্তের সংখ্যা দৈনিক সর্বোচ্চ ২৫ টিতে পৌঁছেছে। রাশিয়ার সঙ্গে এই প্রদেশের সীমানা রয়েছে।

হিলংজিয়াংয়ের স্যুফেনহে সিটি বুধবার উহানের মতো নাগরিকদের চলাচলকে সীমাবদ্ধ করেছে।

রাজ্য পরিচালিত সিসিটিভি বলেছে, বাসিন্দাদের অবশ্যই আবাসিক বাড়িতে থাকতে হবে এবং একটি পরিবারের একজন ব্যক্তি প্রতি তিন দিনে একবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে যেতে পারেন এবং একই দিনে ফিরে আসতে হবে।

সরকারি ওয়েবসাইটের একটি পোস্টে বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ শানডংয়ের জিয়াওঝো সিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্তরটি নিম্ন থেকে বেড়ে মাঝারি হয়েছে। তবে কেন, এটির কোনও বিবরণ দেওয়া হয়নি।