।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

নভেল করোনাভাইরাস শনাক্তে চীন সরকারের সহায়তা হিসাবে ২০ হাজার টেস্ট কিট ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণসহ বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জাম আসবে বৃহস্পতিবার।

অন্যদিকে বাংলাট্রিবিউন এক খবরে জানিয়েছে, দেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল স্বল্পমূল্যে ও দ্রুততম সময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট তৈরির একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। বিদেশ থেকে রি-এজেন্টসহ (রাসায়নিক) অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দেশে এসে পৌঁছালে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি এই কিট তারা বাজারে ছাড়তে পারবেন।

মঙ্গলবার ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, ২৬ মার্চ চীন সরকারের একটি বিশেষ উড়োজাহাজে করে সেদেশ থেকে সরঞ্জামাদি ঢাকায় পৌঁছবে।

দূতাবাসের ফেইসবুক পাতায় এক পোস্টে বলা হয়, “চীন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আসছে মেডিকেল সরঞ্জাম। এতে আছে ১০ হাজার টেস্ট কিট, প্রথম সারির ডাক্তারদের জন্য ১০ হাজার পিপিই এবং ১০০০ থার্মোমিটার।”

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সংক্রমণ পাওয়ার আগেই ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে ৫০০ টেস্ট কিট পাঠিয়েছিল চীন।

ড. বিজন কুমার শীলকে উদ্ধৃত করে বাংলাট্রিবিউন জানিয়েছে, ‘দেশে তৈরি কিটের মাধ্যমে ১৫ মিনিটের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যাবে। প্রতিটি কিটের জন্য খরচ হবে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।’

ড. বিজন কুমার শীল আরও বলেন, ‘এটা নতুন কোনও উদ্ভাবন নয়। ২০০৩ সালে যখন সারা বিশ্বে সার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে তখন সিঙ্গাপুরে আমি ও আমার এক সহকর্মী মিলে এই কিট তৈরি করি। এটা দিয়ে সে সময় সিঙ্গাপুরে সার্স ভাইরাস শনাক্ত করা হয় ১৫ মিনিটের মধ্যে। যদিও প্রথম দিকে সময় লাগতো ৯০ মিনিট। আমরা সেটাকে পরে ১৫ মিনিটে নামিয়ে আনি। ফলে প্রযুক্তিটির সফলতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। এখন করোনা শনাক্তকরণের জন্য আমরা যেটা করবো তা হলো—‘টেকনোলজি ট্রান্সফার’। এর বেশি কিছু নয়।’