।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

এবছর সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য লেখক এস এম রইজ উদ্দিনকে মনোনীত করা হলেও সরকার তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম স্বাক্ষরিত সংশোধিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২০২০ সালের স্বাধীরতা পুরস্কারের জন্য ৯ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানসহ ১০টি নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। তাতে সাহিত্যে এস এম রইজ উদ্দিনের নাম ছিল।

উল্লেখ্য, এ বছর রইজ উদ্দিনকে বাদ দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে যাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার তারা হলেন -স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), মরহুম কমান্ডার আব্দুর রউফ, মরহুম মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান। চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. মো. ওবায়দুল কবির চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুকতাদির। শিক্ষায় ভারতেশ্বরী হোমসকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়াও সংস্কৃতিতে মনোনয়ন পেয়েছেন কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মনোনয়নপ্রাপ্তদের হাতে আগামী ২৫ মার্চ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে, এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। মত দানকারী বেশিরভাগেরই ভাষ্য, একজন ব্যক্তিকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে পরে তা কেড়ে নেওয়ার চেয়ে আগে আরও যাচাই-বাছাই করা জরুরি। এভাবে কারও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করা রাষ্ট্রের জন্য শোভন নয়।