।। বাংলানিউজ, ঢাকা ।।

গণমাধ্যম ও সম্প্রচার নীতিমালা আইন, যা মিড়িয়াকর্মীদের জন্য ভালো হবে, তা নিখুঁতভাবে করা হবে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।

শুক্রবার (০৬ মার্চ) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে দ্বিতীয় সম্প্রচার সম্মেলনে ‘নীতি সংলাপ: শিল্প সুরক্ষা’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।

ব্রডকাস্ট জার্নালিষ্ট সেন্টারের ট্রাস্টি সৈয়দ ইসতিয়াক রেজার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন তথ্য প্র্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, নিউজটোয়েন্টিফোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নঈম নিজাম, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু ও আরটিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের নির্ধারিত অবস্থানে অনেক উপাদান রয়েছে। আর্থিক ও সামাজিক খাত, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে এগিয়ে যায় দেশ। আমি বিশ্বাস করি আমার দেশের ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিড়িয়া সামাজিকভাবে অসাধারণ অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে। এদেশের সব ভালো কাজের সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত। আমাদের অর্জনগুলো তারা এদেশের মানুষকে জানাচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশেও তারা তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। এ কারণে আমরা আমাদের আর্থিক, সামাজিক শিক্ষা খাতে সবক্ষেত্রে যতটা অর্জন করতে পেরেছি, এর রূপকার হচ্ছেন আপনারা (মিড়িয়া)।

মিড়িয়া কর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আপনাদের সব কাজের সঙ্গে আমি আছি। প্রধানমন্ত্রী আছেন। তথ্যমন্ত্রী বলে গেছেন, তিনি একটি আইন করছেন। সেই আইনসহ সব আইন, যা ভালো হবে আপনাদের জন্য, আমরা নিখুঁতভাবে সেই আইন প্রণয়ন করব। কিছুটা সময় লাগছে। কিন্তু ধরে নেন এই আইন আমরা করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সোচ্চার এ ব্যাপারে। তিনি চান এ শিল্পকে রক্ষা করতে হলে শুধু পারমিশন দিলে হবে না। ধারণ করতে হবে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, আজকে সবার বক্তব্য একই ২০ হাজার কোটি টাকার ইন্ডাস্ট্রিকে রক্ষা করতে হবে। সম্প্রসার আইন, ক্যাবল অপারেটর আইন, ক্যাবল অপারেটরদের ডিজিটালাইজড করতে হবে। গণমাধ্যম কর্মী আইনসহ অনেক পদক্ষেপ তো আমরা গ্রহণ করছি। আপনাদের প্রত্যাশা পূরণে আমি জীবন দিয়ে কাজ করতে চাই। আমি আপনাদের সেবক, খাদেম। আপনাদের জন্য যদি আমি কিছু করতে পারি, তাহলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব।

নিউজটোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম বলেন, সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মিথ্যাচারভিত্তিক ইউটিউবের প্রোপাগান্ডা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। যে যার মতো করে অনলাইন টেলিভিশন খুলে বসে আছে। এগুলো বন্ধ করতে হবে। বন্ধের জন্য এই সম্প্রচার কেন্দ্রের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। আমি মনে করি ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে থাকলে সংকটগুলো দ্রুত সমাধান হবে।