।। বাংলানিউজ, ঢাকা ।।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, বাংলাদেশের এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন- ইপিজেড এলাকায় ১০০ চীনা কোম্পানি বিনিয়োগ করেছে। এসব কোম্পানির বিনিয়োগ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটা আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। আমরা দেখছি, অনেক চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তারা মিয়ানমার, কম্বোডিয়ার জায়গায় বাংলাদেশকেই বেছে নিচ্ছে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেশের সর্ববৃহৎ মিডিয়া হাউজ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া হাউজের ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের কনফারেন্স হলে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, ডেইলি সানের সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

সভায় চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ২০০৬ সাল থেকে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশ-চীন দুই দেশ সম্পর্ক উপভোগ করছে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব দিনে দিনে আরো গভীর হচ্ছে। আগামী দিনে এ সম্পর্ক আরো গভীর হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

লি জিমিং আরও বলেন, আমরা সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গেও বিনিয়োগ বাড়াতে চাই। সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। এতে  উভয়পক্ষই লাভবান হবে বলে প্রত্যাশা তার।

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টিকে থাকবে আশা প্রকাশ করে বলেন, লি জিমিংকে ধন্যবাদ আমাদের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ায় আগমনের জন্য। এটা আমাদের জন্য সম্মানজনক। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক রয়েছে। বসুন্ধরা এককভাবে চীনের সঙ্গে প্রায় ২০টি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। আমরা আরো কাজ করতে চাই। আমরা চাই, বাংলাদেশের সাথে চীনের সম্পর্ক আরো গভীর হবে। বসুন্ধরার সঙ্গেও চীনের সম্পর্ক আরো এগিয়ে যাবে। চীন আমাদের দেশে তাদের পণ্য যেমন আনবে, আমরাও আমাদের পণ্য চীনে প্রমোট করবো। আমরা কেবল চীন থেকে পণ্য আমদানিই করতে চাই না, সেখানে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিও করতে চাই। বক্তব্যের শেষে গত ২৫ বছর ধরে এদেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তিনি চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। আগামী ২৫ বছরে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো সমৃদ্ধিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এরপর ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া হাউজ পরিদর্শন করে উচ্ছ্বসিত হয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া হাউজে এসে আমি আনন্দিত। এটি সত্যিই বড় একটি মিডিয়া হাউজ।