।। বাংলা ট্রিবিউন, ঢাকা ।।

চীন থেকে উদ্ভূত আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনা ভাইরাসের বিশ্বজুড়ে বিস্তার ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই ভাইরাস প্রতিরোধে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে এই অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে।

চীনের সবগুলো প্রদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি (হেলথ ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছে ডব্লিউএইচও। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চীন ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে অনেক দেশ। হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে তারা। এখন পর্যন্ত ৫৬৩ জন এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন।

করোনা প্রতিরোধের তহবিল প্রসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাডহানম গেব্রিয়াসাস জানান, বহু দেশেই করোনা ভাইরাস শনাক্তের পদ্ধতি নাই। এটাই তার কাছে বড় দুশ্চিন্তার কারণ। তহবিল বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভাইরাসে আক্রান্তদের শনাক্ত, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তাদের সেবা নিশ্চিতে দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ানো ঠেকাতে সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।’

ভাইরাসের ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোতে মানুষ থেকে মানুষে এই ভাইরাসের বিস্তার কমিয়ে আনা; প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্তদের শনাক্ত, অন্যদের থেকে আলাদা করা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা; গুরুতর ঝুঁকি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব কমিয়ে আনা, প্রাণীদের মধ্যে থেকে ভাইরাসটির বিস্তার কমানো এবং অজানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে এই অর্থ ব্যয় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।