।। শোবিজ প্রতিবেদন ।।

সিংহাসনে বসে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। দুপাশে উপস্থিত ব্রিটিশ সেনাপতি লর্ড ক্লাইভ, মীর জাফর, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ, মানিকচাঁদসহ পেয়াদা সেবকরা। এমন রাজকীয় পরিবেশে ঘোষণা পাঠ করছেন নবাব। ঘোষণা করলেন, বাংলার মাটিতে আবারো ফিরে আসবেন তিনি।

শুক্রবার বেলা এগারোটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী ভবনে নাট্যকলা বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাটকীয়ভাবে এসব তথ্য তুলে ধরেন অভিনয়শিল্পীরা।

বিখ্যাত নাট্য রচয়িতা সিকানদার আবু জাফরের নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’ অবলম্বনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ অন্তর্বর্তী যাত্রাপালা ‘পলাশী পুরাণ’ আয়োজন করেছে। আগামী ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল চত্বরে যাত্রাপালাটি মঞ্চস্থ হবে।

‘পলাশী পুরাণ’ এর যাত্রারূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রহমান রাজু। বিভাগের ১৮তম ব্যাচের বার্ষিক প্রযোজনার অংশ হিসেবে ও ‘মুজিববর্ষ’ কে নিবেদন করে যাত্রাপালাটি মঞ্চায়িত হবে।

এদিন সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় যাত্রার কনসার্ট শুরু হবে। আর পালা শুরু হবে সন্ধ্যা সাতটায়। যাত্রাপালার জন্য তিন ধরনের টিকিট ছাড়া হয়েছে। প্রথম সারি ‘আরামকেদারা’র বিনিময় মূল্যের জায়গায় লেখা হয়েছে ‘টাকা শ পাঁচেক’। দ্বিতীয় সারির টিকিট ‘সাধারণ কেদারা’ এর বিনিময় মূল্য ‘টাকা শ খানেক’। আর যারা মাটিতে বসে এ যাত্রাপালা উপভোগ করবেন তাদের টিকিটের নাম দেয়া হয়েছে ‘বাংলার মাটি’। এর বিনিময় মূল্য ত্রিশ টাকা।

রাবি উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রাজশাহী জেলার প্রশাসক প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ দর্শক হিসেবে যাত্রাপালাটি উপভোগ করার জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।