Loading...
উত্তরকাল > বিস্তারিত > ফিচার > করোনাভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে করণীয়

করোনাভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে করণীয়

পড়তে পারবেন 2 মিনিটে

।। বিডিনিউজ, ঢাকা ।।

চীনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সঞ্চারিত হয়। এতে আক্রান্ত হলে সর্দিজ্বর হয়, সেই সঙ্গে মাথা ব্যথা, কাশি, শরীরের অস্বস্তি বোধ হয়।

বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, “করোনাভাইরাস শ্বাসতন্ত্রের রোগ। এটার প্রধান লক্ষণ জ্বর। সঙ্গে সর্দি, কাশি, গলাব্যথা থাকে।”

গবেষকরা বলছেন, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে তো বটেই, হাঁচি-কাশি থেকে বায়ুর মাধ্যমেও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।  

এই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত সাবান দিয়ে ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। হাত না ধুয়ে চোখ, নাক ও মুখে তা না দিতে বলা হচ্ছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।

আক্রান্ত হলে জ্বর ও ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। সেই সঙ্গে প্রচুর তরল পানের পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সর্দি, কাশি, জ্বর, মাথাব্যথা, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা এই রোগের লক্ষণ। কারও কারও নিউমোনিয়া হয়, ডায়রিয়াও হয়।

তিনি বলেন, এধরনের ভাইরাস শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যায়।

“কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যেমন ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপাইরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে।”

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ এই রোগের বিষয়ে কিছু সতর্কতা দিয়েছে।

  • মার্স করোনাভাইরাসের বিপরীতে অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কৃত হয়নি। এখনেও আবিষ্কৃত হয়নি কার্যকর টিকাও। এই ভাইরাস প্রতিরোধ করতে চাই ব্যাপক জনসচেতনতা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বোধ।
  • এ ধরনের ভাইরাস যানবাহনের হাতল, দরজার নব, টেলিফোন রিসিভার ইত্যাদি সাধারণ বস্তু থেকেও ছড়াতে পারে। তাই বাইরে থেকে এসে অবশ্যই সাবান পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে৷ যারা হাসপাতাল বা ল্যাবরেটরিতে কাজ করেন, তারা হাত পরিষ্কার করতে অ্যালকোহল স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারেন।
  • যেখানে-সেখানে প্রকাশ্যে থুতু-কফ ফেলা বন্ধ করতে হবে। হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করতে হবে, যা অবশ্যই একবার ব্যবহারের পরই ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।
  • হাত দিয়ে নাক মুখ চোখ স্পর্শ যত কম করা যায়, ততই ভালো।
  • বিদেশ থেকে আগত কোনো ব্যক্তি কাশিজ্বরে আক্রান্ত হলে অন্তত ১৪ দিন তাকে বাড়িতে একটি ঘরে আলাদা থাকতে দিতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: