।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

চীনে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আর দেশজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪০ হন। ২২ জানুয়ারি বুধবার দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। সরকারি হিসেবে সোমবার পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২২৩ জন। দুই দিনের মাথায় এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে দাঁড়ালো। সংক্রামক এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ চিকিৎসা কর্মী রয়েছেন। রাজধানী বেইজিং ও সাংহাই-এর মতো শহরেও আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

 এ ভাইরাসটি ছড়িয়েছে মূলত চীনের উহান শহর থেকে। চীন ছাড়াও থাইল্যান্ডে দুইজন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে একজন করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই চীনের উহান শহর থেকে নিজ দেশে ফিরেছিলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভাইরাসটির ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে যাত্রীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষ করে চীন ফেরত যাত্রীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সতর্কতা জারির বিষয়টি বিবেচনা করতে বুধবার বৈঠকে বসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা বা ফ্লু-র মতো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি বা নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা যাবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির প্রাথমিক উৎস কোনও প্রাণী হতে পারে। তবে চীনা কর্মকর্তারা মনে করছেন, এর সঙ্গে উহানের একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজারের সম্পর্ক রয়েছে। কেননা স্থানীয় ওই বাজারে যারা যাতায়াত করেছেন, তাদের মধ্যেই প্রথম এ ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত এ ভাইরাসের কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়ায় এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।